Pages Menu
TwitterRssFacebook
Categories Menu

Posted by on Sep 9, 2014 in সমালোচনা | Comments

আমি কবে ময়ূর সিংহাসন পইড়া শেষ করতে পারব? 

আমি কবে ময়ূর সিংহাসন পইড়া শেষ করতে পারব? 

এর আগে শাহীন আখতারের সখি রঙ্গমালা উপন্যাস নিয়া একটা ক্রিটিক লিখছিলাম। সেটা খুব জুইতের সমালোচনা হইছিল না। একটা পাঠ প্রতিক্রিয়া হিসাবেও লেখাটায় অনেক খামতি ছিল। তারপরেও ওনার লেখার সমস্যাগুলা আমি ধরতে পারছিলাম। কিন্তু গুছায়া বইলা উঠতে না-পারার ঘাটতি তখন ছিল, আবার নানা মহলের পাঠকের উপযুক্ত কইরা লেখার চেষ্টাটাও ছিল না। এখনও পারফেক্ট হইয়া উঠছি তা না, যথাযথ হইতে আমি চাইও না, কমিউনিকেশন বাড়াইতে চাই। বোধগম্য হওয়াটারে লেখকের কাজ বইলা আমি জানি।

শাহীন সবসময় ঐতিহাসিক উপন্যস লেখতে চান বইলা আমি দেখিছি। নিজের পড়া, শোনা কিম্বা আলাপ মারফতে তার এই চেষ্টা সম্বন্ধে আমার কিছু আইডিয়া ডেভেলপ করছে।

ঐতিহাসিক উপন্যাস লিখতে না-পারার ক্রাইসিসগুলা সখি রঙ্গমালার সময় থেকে আমার মনে আছে। এর পাশাপাশি বাংলায় ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখার সমস্যাগুলা নিয়া ইদানিং কয়েকজনের লগে বেশ আলাপ হইতেছিল। শাহীন আখতারের নিয়মিত পাঠকদের দুই-একজনের লগে আমার বিরতিহীন যোগাযোগ আছে। তারা ময়ূর সিংহাসন বইটারে বেশ লাইক-টাইক করছেন। তখন মনে হইল যে ‘ঐতিহাসিক উপন্যাস’ লেখক হিসাবে শাহীন আখতার এই দেশে একটা জায়গা করে নিছেন। পুরস্কার, সুনাম ছাড়াও জীবিতদের মধ্যে আর কারুর নাম তো এই আলাপে কম শোনা যাইতেছে। এখন তাইলে ওনারে নিশানা রাইখা বাংলায় ঐতিহাসিক উপন্যাসের হাল-হকিকত বুঝার একটা চেষ্টা করলে কেমন হয়?

তো ওনার ময়ূর সিংহাসন আমি একজনের কাছ থিকা চায়া নিলাম। মূলত সখি রঙ্গমালার ফিরতি ক্রিটিক হিসাবে বা বাংলায় ইতিহাসভিত্তিক উপন্যাস নিয়া কিছু লেখার আগে শাহীনের শেষ উপন্যাসটায় একবার চোখ বুলাইতে চাইলাম। কিন্তু আমি আসলে বেশিদূর আগাইতে পারলাম না। আগেরবার যখন সখি রঙ্গমালা পড়তেছিলাম তখন কষ্ট করতে হইছে ঠিক। কিন্তু নিজের এলাকার ভাষা বইলা, অদম্য ইচ্ছার কারণে সেটা পড়তে পারছি। এবার আর পারতেছি না কেন জানি! সন্দেহ জাগে আদৌ কি পইড়া শেষ করতে পারব?

shakhi2

পড়তে গিয়া আমি যেসব সমস্যায় পড়ছি সেগুলা আলাপ করলে ঐতিহাসিক উপন্যাস লেখার বিষয়ে কিছু আইডিয়া তৈরি হইতে পারে। তবে এইটা ময়ূর সিংহাসনের ক্রিটিক না। শাহীনের অপরাপর লেখার আলাপ বলা যাইতে পারে।

আমার মনে হইল এইটা শাহীন আখতার কাদের জন্য লিখছেন? প্রথম আলোর জন্য? কলকাতা থিকা পুরস্কার পাওয়ার জন্য? নাকি পাঠকের জন্য?

অন্য কোনো কারণের বিষয়ে আমার আপাতত কিছু বলার নাই। পাঠকের জন্য লিখলে আমি বলব সেটা নির্দিষ্ট পাঠকের জন্য লেখা হইছে। গোষ্ঠির তরে লেখা এই ময়ূর সিংহাসন। তার মানে এ না যে তিনি পপুলার কিছু লেখবেন। তিনি তার লেখালেখির আওতা পাঠকের কাছে বাড়াবেন এইটাই চাওয়া। কিন্তু পাঠকের কথা শোনেন না। তিনি শোনেন অন্যদের কথা।

গোষ্ঠির তরে লেখা এই ময়ূর সিংহাসন। তার মানে এ না যে তিনি পপুলার কিছু লেখবেন। তিনি তার লেখালেখির আওতা পাঠকের কাছে বাড়াবেন এইটাই চাওয়া। কিন্তু পাঠকের কথা শোনেন না। তিনি শোনেন অন্যদের কথা।

সেটা এমন কি সখি রঙ্গমালার বেলায়ও বলা যায়। আঠারো শতক, কিম্বা সতের শতকের ইতিহাস না-জানা থাকলে শাহীনের উপন্যাসের সঙ্গে আগানো মুশকিল। এমনকি ভাষাও। শাহীন যেনবা কোনো বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নিয়া লেখলেন। যার সঙ্গে এই সমাজের উপন্যাসে আগ্রহী পাঠকের যোগাযোগ প্রায় নাই। আর যদি কেউ যোগাযোগ করতেও চায় তো দুস্তর পথ পাড়ি দিতে হয়। তিনি একটা দায় চাপায়া দিলেন যে, তোমরা আগে জানো, তারপর পড়তে আইসো আমার উপন্যাস। এক্কেরে ‘সিরিয়াস’ ফিকশনের খাঁটি নমুনা হয়ে উঠতে চাইতেছেন তিনি।

আমার কাছে ঐতিহাসিক উপন্যাসের কারবারিদের মধ্যে হোসে সারামাগোরে সামনে রাইখা কথা বলাটা কাজের মনে হয়। তার ‘দ্য গসপেল অ্যাকর্ডিং টু দ্য জেসাস ক্রাইস্ট’, ‘সিজ অব লিসবন’, ‘কেইন’ এর সবই ‘ঐতিহাসিক উপন্যাস’। তিনি সাম্প্রতিকও আছেন। সারামাগো এমনভাবে উপন্যাস লেখেন নাই যে তারে ঠিক ওই সময়ের ভাষায়, পোশাকে, খানাপিনায়, আদব-কেতায় অ্যাকিউরেট থাকতে হবে।

mayur3

অথেনিটিসিটি আর অ্যাকিউরেসির তফাত আছে। লেখক দিনে দিনে তার পাঠকের কাছে অথেনটিক হয়ে ওঠেন। হয়ত পলিটিক্যালি সেটা হন বা অ্যাসথিটিক্যালি। কিন্তু অ্যাকিউরিসি ভিন্ন বিষয়। সারামাগোর উপন্যাসে অ্যাকিউরিসি পাওয়ার আশ্বাস নাই। টেকনিক্যালি তিনি এমনভাবে উপন্যাস ডেভেলপ করেন যে তাতে ‘যথাযথ’ থাকার দরকার পড়ে না। ‘ঐতিহাসিক উপন্যাস’রে তিনি ‘হুবহু’ পালন করার বিষয় মনে করেন নাই। হিস্ট্রিক্যাল ফ্যাক্ট আর ট্রুথ দুইটা আলাদা বিষয়। মোঘল সম্রাট শাহজাহান কী খাইতেন, পড়তেন, কার কার লগে যুদ্ধ করছেন বা শুইছেন এসব ফ্যাক্ট ঘাঁইটা লেখকের কাজ হইল ট্রুথ জোগাড় করা। এই ট্রুথ কোথাও কেউ লেইখা থাকলেও বা না-থাকলেও উপন্যাস যিনি লেখেন তিনি তো আসলে নিজের ট্রুথটারে হাজির করবেন। নইলে তিনি উপন্যাস লিখতে যাবেন কেন?

শাহীনের সখি রঙ্গমালার ক্রিটিক লেখার সময়ও আমি বলছিলাম এর অভিমুখ নাই। কিছু হিস্ট্রিক্যাল উপাদান হাতে নিয়া তিনি তা সাজায়া-গোছায়া একটা সখি রঙ্গমালা লিখছেন আরকি। কিন্তু এইটা কতটা উপন্যাস হইল—সে বিচারে যাওয়ার দরকার তার পড়ে নাই। যারা এরপরেও হিস্ট্রিক্যাল উপন্যাস লিখবেন তাদের এসব খেয়াল জারি থাকলে পাঠক আরাম পাবেন। শাহীনের উপন্যাস বাড়তি অর্থ তৈরি করে না। তাতে সীমিত সংখ্যক স্বরের উপস্থিতি আছে। নায়ক, তার সুনির্দিষ্ট গন্তব্য, সহকারী, আমির, পরিজন মিলায়ে শাহীনের সাজানো-গোছানো উপন্যাস মনোটোনাসলি সনাতন নিয়ম মেনে চলে। নিরেট কাহিনীকার তিনি। গবেষণাকর্ম প্রধান ফিকশন লেখেন। তার লেখা পড়লে মনে হয় একাডেমিশিয়ানদের সঙ্গে ওনার যোগাযোগ নির্ভরতা আছে ।

যে কারণে লেখায় তেমন সাইকোলজিটা পাওয়া যায় না। সখি রঙ্গমালার চৌধুরীরা কিম্বা মুঘলরা এই অঞ্চলে যে দোনামনা তৈরি করছিলেন জনগণের মনে, বা চরিত্রের মধ্যে তা অনুপস্থিত। নানা পদ ও পেশার চরিত্ররা থাকে তার লেখায়। কিন্তু তাদের মনে হয় বুঝি শাহ সুজার পালানোর পথে বসে থাকাই তাদের কাজ, তারা আগে থেকেই জানত কী ঘটবে। নিয়তিবাদ এই লেখকের অনুপ্রেরণা। তবে উপন্যাসে কী কী থাকা নেসেসারি সে নিয়া প্রশ্ন উঠতে পারে। কিন্তু উপন্যাস যিনি লিখে ফেললেন তিনি কী লিখলেন আসলে তা তো গোপন করা যায় না। পাঠকের এটুক বুঝার মগজ থাকে যে লেখক কী এলান করলেন। লেখক কী কী লেখেন নাই সেই সমালোচনা এটা না। কী কী লিখছেন আলাপ সেখানে। আর যা যা লিখছেন তাতে কোথায় কোথায় কী কম পড়ল—এসব বুঝা পাঠকের কাজ।

কিন্তু উপন্যাস যিনি লিখে ফেললেন তিনি কী লিখলেন আসলে তা তো গোপন করা যায় না। পাঠকের এটুক বুঝার মগজ থাকে যে লেখক কী এলান করলেন। লেখক কী কী লেখেন নাই সেই সমালোচনা এটা না। কী কী লিখছেন আলাপ সেখানে।

শাহীন একটা নির্দিষ্ট পদ্ধতি অবলম্বনে উপন্যাস লেখেন। যেমন তিনি ‘লোকগান’ থেকে ‘তথ্য’ নেন। এসব গান ‘রেটরিক্যালি’ বুঝতে পারার ঝুঁকি এড়ায়ে তিনি সেখান থেকে ইতিহাসটুকু ছেঁকে নেন। ‘বেদনা’ খুঁজে নেন। ‘সাধারণ মানুষ’ বিষয়ে তার যা যা অনুমান তার বেশিরভাগের প্রকাশ ঘটে বেদনায়।

হোসে সারামাগো নাস্তিক থাকলেও তার চরিত্রদের স্পিরিচুয়াল সম্ভাবনা নাই করে দেন নাই। সারামাগোর উপন্যাসের ইনটেনশন দিন শেষে আমি হুবহু মানতেও নারাজ। কিন্তু উপন্যাস কইরা তুলতে পারার কায়দায় আমি অন্তত মুগ্ধ। এই মুগ্ধতা মিলান কুন্ডেরার ‘আনবিয়ারেবল লাইটনেস অব বিয়িং’, বা সালমান রুশদির ‘মিড নাইটস চিলড্রেন’ আরও যদি লিস্টি লম্বা করতে চান তো ওরহান পামুকের ‘মাই নেম ইজ রেড’-এর নামও নিতে পারেন। কিন্তু এত এত নাম নেয়ার কারণ এনাদের কায়দা-কানুনগুলো নজরে আনার জন্য। হিস্ট্রিকে এনারা যার যার এলেমে বোঝার এবং তা উপন্যাস আকারে ধরার চেষ্টা করেছেন। শুধু সারামাগোয় যাদের আপত্তি তৈরি হবে তাদের জন্য বাদবাকি নামগুলা নেয়া। এখানে কোনো একাডেমিক আলাপের চেষ্টা নাই। আমরা কতটা স্বাদহীন আছি তার একটা দাগ আঁইকা দেয়া।

শাহীনের চরিত্ররা স্পিরিচুয়ালিটি বর্জিত, সায়েন্টিফিক, ম্যাটেরিয়ালিস্টিক চরিত্র। নিজের কল্পনাশক্তিরে স্থগিত অথবা সীমিত রাইখা যেহেতু তিনি উপন্যাস লেখেন ফলে চরিত্ররাও তেমন স্বভাবের হয়। অনেকটা পার্ট বাই পার্ট অভিনয় কইরা যাওয়ার মতো। যার চরিত্র যখন আসবে সে তখন দেখা দিয়ে যাবে। সবাই মিলে আর লাইভলি সমাজ হয়ে ওঠা হয় না। সারামাগো যেমন দেখা যায় হিস্ট্রিক্যালি একটা ঘটনারে অন্য ঘটনার সঙ্গে যুক্ত করতে চান। হিস্ট্রিরে প্রেজেন্ট দিয়া মোকাবিলার চেষ্টা তিনি করেন। আমরা তার এক উপন্যাসে দেখি যে তিনি একজন প্রুফ রিডারের দিয়া উপন্যাস শুরু করছেন। প্রুফ রিডারের অথেনটিক থাকতে চাওয়া আর রাইটারের ইনভেশন নিয়ে বিস্তর তর্ক আছে। ‘রিয়েলিটি’ এবং ‘ট্রুথ’ নিয়ে তর্ক আছে। তিনি সুররিয়াল কায়দায় গল্প বলে যাইতেছেন। ‘মানুষ’ এই সার্বজনীন প্রাণীরে ফিলসফিক্যালি ডিল করার ইচ্ছাও তার উপন্যাসে আমরা দেখি। এথিক্যাল বরখেলাপিও শাহীনে পাওয়া যায় না হিউম্যান নেচারে। আদতে ইতিহাসের বইগুলায় বা প্রমাণাদিতে নাই, এমন কিছু তার লেখায় নাই।

উপন্যাস পাঠের অভিজ্ঞতা বলে এর মানে এমন না যে তারে কোনো এক জায়গায় এসে থেমে যাইতে হবে। উপন্যাস যত বেশি নিজের বিস্তার ঘটাইতে পারে, তত সে উপন্যাস হয়ে ওঠে। শাহীন একেবারে উল্টা। ছক এঁকে লিখতে বসেন। বিস্তর কসরৎ করেন। জবরদস্তির মধ্য দিয়ে তিনি কাজ সারেন বলে টের করা যায় তারে পাঠ করতে বসলে। তিনি তখন ছিলেন না, এমনটা মনে হয় উপন্যাস পড়লে। লেখক নিজে উপন্যাসের দখলদার হয়ে উঠতে পারেন বা তিনি নির্মোহ, নিষ্ঠুর অবলোকন করে যাইতে পারে, কিন্তু লেখকের উপস্থিতি টের পাওয়া যায় তার লেখায়।

তথ্য, ছবি, টোকায়ে টোকায়ে তা জোড়াতালি দেয়ার নাম উপন্যাস হয়ে ওঠাটা ট্রাজিক ঘটনাই বটে। শাহীনরে অবশ্য ইংরেজি ট্র্যাজিকের খুব ভক্ত এবং অনুসারী মনে হইছে আমার কাছে।

একই সঙ্গে মনে হইছে তিনি এই ভূ-খণ্ডের  বা সমাজের লোক না। সময় থিকা এসকেপ করেন, নিজেরে হাজির করার জন্য এমন প্লট বাইছা নেন যেখানে তিনি ছিলেন না। লেখকের কাজ তো থাকার। না-থাকার না। তিনি না-থাকতে চান বইলা অপ্রাসঙ্গিক ইতিহাস নিয়া লেখেন। ময়ূর সিংহাসনে দেখলাম শাহ সুজার পরিণতিরে প্রাসঙ্গিক করার চেষ্টা করলেন। মানে তিনিও টের করেন যে হিস্ট্রি তো আসলে প্রেজেন্টে থাইকাই বিচার করতে হয়। বা প্রেজেন্টের লগে এর কোনো না কোনো প্রাসঙ্গিকতা আছে। নইলে পাঠকের পড়ার দরকার পড়ে না। এই বিজ্ঞাপনটুকু বইয়ের কভারে কিন্তু ছাপা হইছে। তবে বাস্তবতা ভিন্ন। তো ওনার সাম্প্রতিক উপন্যাসের লেজটা যেন পরেরবারে শরীর হয়ে ওঠে সেই কামনা থাকল।

তিনি হুমায়ূন আহমেদরে ফলো করলেও পারেন। হুমায়ূনের ‘মধ্যাহ্ন’ পূর্ব-বাংলার হিস্ট্রিরে ধারণ করার একটা উল্লেখযোগ্য চেষ্টা। হুমায়ূনের লেখায় অথচ কোনো দূরত্ব তৈরি হয় না পাঠকের তরফে। উপন্যাসের ভাষা নিয়াও কিছু লেখার ইচ্ছা আছে। ভাষা যদি পাঠক না বোঝে তাইলে সেই দোষ কার? ডিকশনারি ঘাঁইটা ঘাঁইটা উপন্যাস পড়তে গেলে তো সেই উপন্যাস আর শেষ করা যাবে না। আমিও এখন টেনশনে আছি যে ময়ূর সিংহাসন কবে শেষ করতে পারব?

কিন্তু আমি পড়তে চাই। বাংলায় আরামদায়ক, ভালো ভালো উপন্যাস পড়তে চাই। নির্দিষ্ট কোনো নামধারীর উপন্যাস না। পুরস্কার পাওয়া উপন্যাস না। কমিউনিকেটিভ উপন্যাস। লেখকে তার সময়রে যত এড়ায়া চলতে পারে, সে তত ভালো আমাদের দেশে। হাউ ট্র্যাজিক!