নব্বইয়ের দশক (৪)

পরের দিন বিকালের সেশনে গল্পপাঠের আসর বসলো সেই অডিটোরিয়ামে। আসরার মাসুদই শুরু করলো। গল্পের নাম ‘সাইলেসিয়া’।

(তৃতীয় কিস্তির লিংক)

পরের দিন বিকালের সেশনে গল্পপাঠের আসর বসলো সেই অডিটোরিয়ামে। আসরার মাসুদই শুরু করলো। গল্পের নাম ‘সাইলেসিয়া’। অসুখবিসুখে হুদাভাই হোমিওপ্যাথির আশ্রয় নেন এবং অন্যদেরকে এই চিকিৎসা নেয়ার পরামর্শ দেন ব’লেই, আমার ধারণা, পাঠের জন্য আসরার গল্পটি বেছে নিয়েছিল।

পাঠ শুরু হলো। প্রায় সবাই হাসতে লাগলো। যেন মোটাসোটা এবং গোঁফরহিত হানিফ সংকেত গল্পকারের ভূমিকায় দৃশ্যমান। শিশুকিশোররা হাসছে, একে অন্যের গায়ে গড়িয়ে পড়ছে। গল্পটি শেষ পর্যন্ত সাইলেসিয়া নামের হোমিওপ্যাথিক এক ওষুধের প্রতিক্রিয়া থেকে যেসব ক্যারিকেচার সৃষ্টি হয়, সেগুলির বর্ণনা। ক্যারিকেচারগুলি একক বা মিলিতভাবে কোনও অর্থ সৃষ্টি করতে পারে নি। ভাষা ব’লেও কিছু পাওয়া গেল না। বাক্যগঠন পঞ্চম শ্রেণির ব্যাকরণ-পড়া ও না-পড়া বালকের মতোই। যখন সমালোচনার পর্ব এলো, তখন এই কথাগুলো আমি বলেছি। যদিও গল্পটির আলোচনা চরিত্র ও ঘটনার সীমা পার হতে পারে নি।

chanchal ashraf logo

এর আগে আমি নিজের লেখা গল্প ‘টিকটিকির রক্ত লাল হয়ে ওঠার আগে’ পড়লাম। এটি ছাপা হয়েছিল সে বছরই, সম্ভবত মার্চের কোনও এক শুক্রবারে, দৈনিক বাংলাবাজার পত্রিকায়। তখন সেই কাগজের সাহিত্যপাতায় কাজ করতেন ব্রাত্য রাইসু, নির্মলেন্দু গুণের সঙ্গে। এই মুহূর্তে এবটা ঘটনা মনে পড়ছে। না বললে পরে হয়তো আর বলার সুযোগ পাবো না। যা হোক, গল্পটি ছাপানোর আগে বাখতিনের উপন্যাসচিন্তা [হেডলাইন মনে পড়ছে না] নিয়ে একটা আর্টিকেল ও গল্প ‘প্রেম সম্পর্কে ভালোবাসা সম্পর্কে’ ছাপা হয়েছিল বাংলাবাজার পত্রিকায়। রাইসুর উদ্যোগেই। ১৯৯৪ সালে। এই দুটি লেখার সম্মানী নিতে গিয়েছিলাম। একটা কাচের ঘরে গুণদার চেয়ারের পিছনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে রাইসুকে দেখলাম। ফৌজিয়া খানকে দেখে ডাকলাম, কাচের ঘর থেকে রাইসুকে বের করার উপায় জানতে চাইলাম। ফৌজিয়া বললো, ‘আপনি স্যান্ডেল খুলে ঢুকে যান।’ সেখানে ঢুকে লেখার সম্মানী সংক্রান্ত আলাপের পর রাইসুকে নিয়ে কাচের ঘর থেকে বের হয়ে দেখি, স্যান্ডেল নাই। আমি স্যান্ডেল খুঁজতে লাগলাম। ফ্লোরের এমাথা-ওমাথায় খালি পায়ে হাঁটি [শহীদ মিনারের প্লাজায় হাঁটছিলাম যেন] আর বিচরণশীল এবং দণ্ডায়মান লোকদের পা নিরীক্ষণ করতে লাগলাম। এমন এক সময় রাইসু এসে বললেন, ‘আইজকা সম্মানী হইবো না। বিল জমা অনেক আগেই দেয়া হইছে, কিন্তু অ্যাকাউন্টসের লোক সেইটা খুঁজে পাচ্ছে না।’

আমি বললাম, ‘স্যান্ডেলও তো খুঁজে পাচ্ছি না। স্যান্ডেল হারানোর শোক কাটানোর জন্য হলেও বিল না নিয়া আমি যাবো না।’

রাইসু বললেন, ‘স্যান্ডেল হারানোর সাথে বিলের কী সম্পর্ক?’

বললাম, ‘বিল নিতে আইসাই তো স্যান্ডেল হারাইলো। সম্পর্ক এটাই।’

রাইসু আবার অ্যাকাউন্টসে গেলেন। দেখলাম, কাচের ওপারে শাদা ফুল স্লিভ শার্টের বোতামখোলা হাতা দুটি নড়ছে, মাথার ঝাঁকুনিও দেখলাম। কিছুক্ষণ পর রাইসু ফিরে এলেন। বললেন, ‘ব্যবস্থা একটা হইছে, তিনটা লেখার মধ্যে দুইটার বিল পাবেন। দুপুরের পর।’

আমরা আবার সেই কাচের ঘরে ঢুকলাম। গুণদার পাশে ব’সে কথা বলতে লাগলাম। কবিতা, রাজনীতি, লেখকদের গরিবি হাল নিয়ে। এইসব আলাপের মধ্যে শুধু এটাই মনে আছে যে এখনকার কবিতা কেমন জানতে চাইলে তিনি বলেছিলেন, ‘বিদ্রূপের একটা ভাষা তৈরি হচ্ছে কবিতায়। বেদনার ভাষাও বদলে যাচ্ছে; কিন্তু বেদনাটা কীসের, বোঝা যাচ্ছে না। আগে রাজনীতির সঙ্গে কবিতার একটা সম্পর্ক ছিল, এখন সেটা দেখা যাচ্ছে না। তোমরা চাও বা না চাও, কবিতার শব্দে শুধু না, বিরামচিহ্নেও রাজনীতি থাকে।’

রাইসু বললেন, ‘গুণদা, বাপদাদার ভাষায় কবিতা লিখতে চাই না। আপনাদের ভালো লাগার দিকে তাকাইয়া লিখলে নিজের লেখার দরকার কী, আপনাদের কবিতা পইড়াই তো জীবন কাটাইয়া দিতে পারি।’

এইসব কথায় দুপুর পার হওয়ার আগে রাইসু বললেন, ‘চলেন, খাইতে যাই। ভালো খাবার। কসকো খাওয়াবে।’ আমরা বের হয়ে পাশের বিল্ডিংয়ে গেলাম। গুদামঘরের মতো সেই বিল্ডিংয়ের সিঁড়ি বেয়ে ওঠার সময় নিম্নগামী ও উর্ধ্বমুখি মানুষের পা নিরীক্ষণ করতে লাগলাম। দেখি, সবার পা আমার পায়ের চেয়ে বড় ও যথেষ্ট হৃষ্টপুষ্ট। ভাবি, তা হলে আমার স্যান্ডেলে কার পা মাপমতো ঢুকে পড়লো, খুঁজে পেলে, তাকে আমি ক্ষমা করে শুধু দেবো না, সারাজীবন ওকে আমি স্যান্ডেল উপহার দিয়ে যাবো। এইরকম ভাবছি যখন, রাইসু বললেন, ‘খুব অন্যমনস্ক লাগতেছে আপনারে, বিল পাবেন, খাদ্যও খাবেন, কিন্তু স্যান্ডেল পাবেন বলে মনে হয় না। চুরির ক্ষেত্রে ছাতা আর ঘড়ির সঙ্গে স্যান্ডেলও যুক্ত হইলো।’

কক্সবাজারের সৈকতে। ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এবরার হোসেনের তোলা। বাঁ থেকে আমি, পিনাকী রায়, জাহিদ বকসী ও মাহবুব মাসুম।
কক্সবাজারের সৈকতে। ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এবরার হোসেনের তোলা। বাঁ থেকে আমি, পিনাকী রায়, জাহিদ বকসী ও মাহবুব মাসুম।

আমি বললাম, ‘স্যান্ডেল তো মসজিদে চুরির জিনিস।’

‘আপনারটা পরে কেউ হয়তো নামাজ পড়তে গেছে। আপনার সওয়াব হবে।’

বললাম, ‘ফৌজিয়াকে তো দেখছি না।’

‘কসকোর খাদ্য সে ভক্ষণে আগ্রহী নহে। হেঃ হেঃ হেঃ।’

গুদামঘরে সেই গোসলসাবানের গন্ধ পেতে পেতে নগ্ন পায়ে শহীদ মিনারে যাওয়ার ভাব নিয়ে সম্ভবত চার তলায় উঠলাম। দেখি, বিশাল ফ্লোরে সাদা কাপড়ের উপর ভোজন চলছে। যেখানে দাঁড়িয়েছি, মানে দরজার সামনে প্রচুর জুতা ও স্যান্ডেল। চামড়ার, র‌্যাকসিনের, প্লাস্টিকের, বেল্টঅলা ও বেল্ট ছাড়া, ফিতার ও ফিতারহিত— রীতিমতো ব্যবহৃত পাদুকার প্রদর্শনী। রাইসুর হাতে দুই লিটার পানির একটা প্লাস্টিক বোতল [এই অবস্থায় প্রায়ই তাঁকে দেখা যেতো তখন]; তিনি ভোজনরত লোকদের দিকে তাকালেন, তারপর আমার দিকে। বললেন, ‘প্রলেতারিয়েতরা একবার খাইতে বসলে সহজে উঠতে চায় না।’ চোখ-ইশারায় বললেন, ‘দ্যাখেন, ওই কোনায়, জানলার নিচে একটা লোক খাওয়া শেষ কইরা বোরহানির গ্লাস খালি করতে করতে চারদিকে তাকাইতেছে। ভাবখানা এমন, কী জানি বাদ পইড়া গেল।’ তখন দরজা থেকে দৃষ্টি বরাবর যে দেয়াল, তার দিকে পিঠ রেখে ভোজনের পর চার-পাঁচজন উঠে দাঁড়ালে আমি বললাম, ‘একটা দল বাইর হচ্ছে, চলেন, ওইখানে বসি।’ ক্ষণিকের জন্য রাইসু আমার পায়ের দিকে তাকালেন এবং নিজের স্যান্ডেলজোড়া হাতে নিয়ে ঢুকলেন। আমরা সেই দেয়ালের দিকে পিঠ দিয়ে ছড়ানো-ছিটানো হাড্ডি ও ঝোল সামনে রেখে বসলাম। নিজের স্যান্ডেলজোড়া রাইসু পিছনে রাখলেন।

বিল তুলতে গিয়ে দেখি হলুদ কাগজের ভাউচারে দুইটা লেখার সম্মানী মাত্র তিন শ টাকা, সেটা গ্রহণের জায়গায় স্বাক্ষর করার আগে, ‘এত কম’ বলার পর রাইসু বললেন, ‘পত্রিকার অবস্থা ভালো না, বিল কার্টেল হইছে।’

সুশান্ত মজুমদারের কথা আমার মনে পড়লো। জোনাকি হলের পাশে, ১৯৯২’র শীতে, মানে জানুয়ারির কোনও একদিন তাঁর সঙ্গে ‘শখ’ নামের পোশাকদোকানের সামনে প্রথম দেখা হয়েছিল, সেখানে দাঁড়িয়েই তিনি বলেছিলেন, ‘কবিরা ভাগ্যবান, তারা শ’খানেক শব্দ লিখে পায় এক শ টাকা; আর গল্প, প্রবন্ধ, কলাম ইত্যাদি যারা লেখে তারা দেড়-দুই হাজার শব্দ লিখে তিন-চার শ’র বেশি পায় না। একটা কবিতা লিখতে ভাবাভাবিসহ ঘণ্টাখানেকের বেশি লাগে না, কিন্তু গল্প লিখতে গেলে রাতের পর রাত পার হয়ে যায়।’

আমি বললাম, ‘তা হলে কবিদের অবস্থা এত করুণ কেন?’

তিনি বললেন, ‘কবিরা সংখ্যায় বেশি, ঢাকাতেই তো হাজার দশেক কবি আছে। সংখ্যায় যত বেশি, তার চেয়ে বেশি তারা অলস। কবিদের দুর্গতি চিরকাল ছিল, আছে এবং থাকবে। দশ-বারো লাইন লিখে এত টাকা পাওয়ার পরও যাদের হতাশার শেষ নাই, তাদের দুর্গতি কোনও দিন যাবে না।’ দুইটা গদ্যে মাত্র তিন শ’ টাকা, এই দুঃখ সুশান্তদার সেই সন্ধ্যার চেহারা আর কবিদের দুর্গতির কথা ভেবে খানিকটা প্রশমিত হলো। দ্বিতীয়ত, যে স্যান্ডেলজোড়া হারিয়ে গেছে, এই টাকায় সেরকম দুই জোড়া কেনা যাবে ভেবে মন সান্ত্বনায় ভ’রে উঠলো। তৃতীয়ত, আমার মনে হচ্ছিল যে, গদ্য দুইটা লিখতে গিয়ে রাতের পর রাত পার করতে হয় নি; এক বসাতেই লেখা হয়ে গিয়েছিল। চতুর্থত, স্বাক্ষর করার সময় ভাবছিলাম যে, দুইটা লেখাই শিরোনাম পাল্টে, শুরু ও শেষের প্যারা বদলে দিয়ে আরেক পত্রিকায় ছাপালে কমপক্ষে চার শ টাকা তো পাওয়া যাবে। এবার দরাদরিও করে নেবো। ছাপলে ছাপবে, না ছাপলে নাই। তবে কাজটা আমি করি নি। অন্য কয়েকটা লেখায় করেছি। কেন করেছি, সেটা পরে বলবো।

রাস্তায় নেমে রিকশা খুঁজতে লাগলাম। গাছগাছালির অভাবে তেজগাঁ শিল্প এলাকার রাস্তা এত গরম যে, হাঁটা যাচ্ছিল না। আশপাশে রিকশা না পেয়ে হাঁটতে হাঁটতে পায়ে ফোস্কা পড়ে যাওয়ার দশা। মনে মনে বাংলাবাজার পত্রিকার লোকদের চৌদ্দগোষ্ঠি উদ্ধার করতে করতে একটা রিকশা পেয়ে গেলাম এবং তাতে উঠে একটা খালি পায়ের উপর আরেকটা খালি পা তুলে সিগারেট ফুঁকতে ফুঁকতে ফার্মগেটে এলাম। নামার পর আবার রাস্তার গরম। ওভারব্রিজ পার হতে হতে ফের ওই পত্রিকার উদ্দেশ্যে মনে মনে তসবি জপার মতো ‘স্যান্ডেলচোরের পত্রিকা, লেখক ঠকাইন্যা পত্রিকা’ আওড়াতে লাগলাম। সেটা খুব কাজের হলো, [শান্তিও পাচ্ছিলাম] কারণ পথ ছোট হয়ে এলো, ফার্মভিউ সুপার মার্কেটের পর বাটার আউটলেটে পৌঁছতে বেশি সময় লাগলো না। দেড় শ’ টাকায় এক জোড়া [সেই ডিজাইনের] স্যান্ডেল আর পঞ্চাশ টাকায় এক জোড়া হালকা সবুজ রঙের স্লিপার কিনলাম।

‘টিকটিকির রক্ত লাল হয়ে ওঠার আগে’ পড়ার পর আলোচনা শুরু হলো। ফাতিমা তামান্না নামের এক কবি বললো, ‘গল্পটি অশ্লীল।’ শেফু জামাল নামের এক গল্পকার বললো, ‘স্তন, যোনি, সঙ্গম ইত্যাদি শব্দ এই গল্পে নেই, সুতরাং এটাকে অশ্লীল বলা যাবে না।’ অরাত্রিকা রোজী [নামটি হুদাভাইয়ের দেয়া] বললো, ‘চরিত্র কম হলেও গল্পটা দুর্বোধ্য।’ বদরুজ্জামান আলমগীর বললেন, ‘এই রকম অফ ট্র্যাকের গল্প প্রমাণ করে, সমকালীন গল্পের ফর্ম নিয়ে চঞ্চলের হতাশা ও অসন্তোষ আছে।’ শোয়াইব জিবরান বললো, ‘এই গল্পে প্রচলিত গল্পের মতো কোনও কাহিনি নাই, চরিত্র বলতে যা বোঝায়, তাও অস্বীকার করা হইছে। ভালো লাগছে।’ আসরার মাসুদ বললো, ‘গল্পে যদি গল্প না থাকে, তাহলে কীসের গল্প?’ অন্যরা একে একে ‘খুব ভালো’, ‘এক্সপেরিমেন্টাল’, ‘অন্যরকম’ ইত্যাদি বলার পর রফিক আজাদ বললেন, ‘এই গল্পে যা বলা হয়েছে, তার চেয়ে না-বলাটা বেশি। এমনকি ডিটেইলিংও প্রায় নাই, কিন্তু বোঝা যায় না যে, ওটার দরকার ছিল। পুরো গল্পে সংলাপের পর সংলাপ, কিন্তু এগুলোর একটাও সংলাপ না। এগুলো বহন করছে অবরুদ্ধ সমাজের চাপ, সেই সমাজের সংস্কৃতি। বঞ্চনা, বিপন্নতা ও নিঃসঙ্গতার সংস্কৃতি।’ মুহম্মদ নূরুল হুদা বললেন, ‘এটা হলো গল্পহীনতার গল্প। জীবনের অর্থহীনতা, পুনরাবৃত্তি, নিরাশ্রয়ের হতাশা এতে দেখানো হয়েছে। দেখাতে গিয়ে গল্পকার কাহিনির দ্বারস্থ হন নইি, সেই জায়গায় গ্রহণ করেছেন এমন এক আঙ্গিক, যাতে বর্ণনা না থাকলেও চলে। তবে এই ধরনের গল্প নিয়ে আলোচনার আগে সমকালীন বিশ্বসাহিত্য সম্পর্কে জ্ঞান বা ধারণা থাকা দরকার।’

নিজের গল্প নিয়ে এইসব বাহাদুরি মার্কা কথা বলতে ভালো লাগছে না, তবু বলছি, কারণ এটা ঘটেছিল। যদিও অডিটোরিয়াম থেকে বের হয়ে রফিক ভাই মৃদু স্বরে আমাকে বলেছিলেন, ‘গল্প লেখা বাদ দিয়ে কবিতায় মন দাও। কারণ, সফল গল্পকার হওয়ার সম্ভাবনা কবিদের বেশি থাকে; কিন্তু সফল কবি হওয়ার আগে গল্পকার হয়ে উঠলে যত ভালো কবিতা লেখো, কেউ তোমাকে কবি বলবে না।’

এই কথা তিনি আর দু’বার বলেছিলেন, অন্যভাবে, ব্যঙ্গ ক’রে, বর্ধমান হাউজের বারান্দায় দাঁড়িয়ে ও সাকুরায় ব’সে। সে-কথা পরে বলবো।

(কিস্তি ৫)

More from চঞ্চল আশরাফ

নব্বইয়ের দশক (৩)

এই স্কলারদের মধ্যে ছয় মাস যে কী তামাশায় কেটেছে, বললে কৌতুকবাজরাও নিজেদের...
Read More