(প্রথম কিস্তির লিংক)

সেই গন্ধ পেতে পেতে দেখলাম একটা ডাবল খাট, তাতে বিছানা-বালিশ নেই, ছড়িয়ে আছে বই, এলোমেলো; বামের দেয়াল ঘেঁষে একটা শেলফ, বাঁশের, তাতে গাদাগাদি ক’রে রাখা হয়েছে বই; যেখানে দাঁড়িয়েছি, সেখানে পায়ের পাশে, মানে মেঝেয় বিছানা, তার উপরে শিয়রের দিকটায়ও এলোমেলো প’ড়ে আছে বই।

তেলাপোকার চলাফেরা দেখা গেল, একটা চিকাও কি পড়িমরি দৌড় দিয়েছিল, আমাদের উপস্থিতি টের পেয়ে? দরজা বন্ধ করতে করতে কবি বললেন, ‘কী দেখ, বই? বিশ্বসাহিত্যের সব বই এখানে পাবা। কিন্তু আইজকা ইন্টারভিউর কাজ।’

আমি বললাম, ‘মদ খাবো। ব্লু ফিল্ম দেখবো।’

তিনি বললেন, ‘আগে ইন্টারভিউ।’

বললাম, ‘বোতল বাইর করেন।’

কবি বললেন, ‘ঠিকাছে। বোতল সামনে রাইখাই কাজটা করা যায়। না-কি!’

আমি বলি, ‘খাইতে খাইতে করি কাজ! আজ এত কীসের লাজ?’

একগাল হেসে তিনি বলেন, ‘তুমি ত দুষ্ট আছ!’ ব’লেই মশারি স্ট্যান্ডের হরাইজন্টাল বারে ঝুলে থাকা লুঙ্গিটি নিলেন, সেই লুঙ্গি দাঁতে ঝুলিয়ে প্যান্ট বিচ্ছিন্ন করলেন শরীর থেকে এবং প্যান্টটা একই জায়গায় ঝুলিয়ে রেখে বললেন, ‘ভুল হইয়া গেছে। এক বোতল সেভেন আপ লাগবে।’

শেলফের পাশে একটা টেবিল ছিল; [তাতেও বইয়ের স্তূপ, লেখার কোনও স্পেস ছিল না] সেখানে একটা চেয়ারে আমি বসেছিলাম। কবি আমাকে উঠে দাঁড়াতে বললেন এবং আমি উঠলাম। ক্ষণিকের জন্য মেঝেয় তিনি বসলেন, টেবিলের তলা থেকে একটা বোতল বের করে আমার হাতে দিলেন।

chanchal12
চট্টগ্রামের ষোলশহরে একটা বাসার ড্রয়িং রুমে। সহপাঠী বন্ধুদের সঙ্গে। ১৯৯০ সালের ফেব্রুয়ারিতে। এক সময়ের বন্ধু পিনাকী রায়ের তোলা। বাঁ দিক থেকে মাহবুব মাসুম [তখনকার, এখন মাহবুবুল হক। প্রাবন্ধিক।], এবরার হোসেন [আশির দশকের ছড়াকার, কিছু কবিতা লিখেছিল নব্বইয়ের দশকে। এখন কিশোরগঞ্জের বাসিন্দা।], জাহিদ বকসী [এখন পুলিশ বিভাগে কর্মরত।]
আমি বললাম, ‘এরকম জানলে আমি আসতাম না। নোবেল কি এত সহজ?’

‘কেন? কী হইছে?’

‘কেরোসিনের মতো দেখতে এই জিনিস তো নীলক্ষেতে শাটার নামাইয়া হতাশ লোকেরা খায়। কারো বাসায় খাওয়ার মাল এইটা না। সেভেন আপও তো নাই।’

কবি ফের প্যান্ট পরলেন; আমাকে বসিয়ে রেখে বের হলেন এবং অনেকক্ষণ পর এক বোতল সেভেন আপ, চানাচুর ও রিং চিপসের প্যাকেট নিয়ে ফিরলেন। ততোক্ষণ আমি বইপত্র ঘাঁটাঘাঁটি করলাম, সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের অনুবাদবই ‘অন্য দেশের কবিতা’র মধ্যে দুইটা থ্রিআর সাইজের ফটো পেলাম। একটায় কবি থুতনিতে হাত দিয়ে উপরের দিকে তাকিয়ে আছেন। অন্যটায় শাড়ি-পরা এক নারীর কাঁধে হাত রেখে দাঁড়িয়ে; দু’জনেই গম্ভীর, যেন এই ছবি তোলার ব্যাপারে উভয়ের মধ্যে যথেষ্ট আলোচনা হয়েছে।

মদ্যপানের ফাঁকে কবি বালিশে বুক রেখে শুয়ে পড়লেন সেই আধা দিস্তা নিয়ে। বললেন, ‘সাহিত্যের ব্যাপারে তোমার কোনও ডেডিকেশন দেখতেছি না। এত তাড়াতাড়ি পাইকা গেছ, আমার মতন কবির দিকেও তোমার কোনও খেয়াল নাই। মাইন্ড করলা? আমি তোমারে পছন্দ করি।’

বললাম, ‘আপনি বেশি কথা বলেন। খাওয়াচ্ছেন কেরোসিন, এত কথা কীসের, অ্যাঁ?’

কবি উঠে বসলেন, ‘তুমি রাগ করলা? আইচ্ছা, ঠিকাছে’ ব’লে খাটের উপরে রাখা চিনাকাগজের প্যাকেট থেকে ভিডিও ক্যাসেট বার করলেন, চৌদ্দ ইঞ্চি সাদাকালো টিভি আর ফুনাই ভিসিপি অন করলেন। ফিল্মটির নাম মনে নেই, এই ধরনের ছবির নাম মনে থাকার কথাও নয়। দেখা গেল, তিনটি মেয়ে পাশাপাশি দাঁড়িয়ে, প্রত্যেকেই নিজের নাম বললো, তারপর পুরুষকণ্ঠ — ‘হোয়্যার আর ইউ ফ্রম?’ একজন বললো, ‘আই অ্যাম ফ্রম বুদাপেস্ট’, অন্যজন ‘আই অ্যাম ফ্রম মস্কো’, তারপর ‘আই অ্যাম ফ্রম বুখারেস্ট’ — ‘ওকে, আই অ্যাম অ্যান অ্যামেরিকান’, উচ্চারণটি এমন, যেন আমেরিকান হওয়ার মতো অর্জন পৃথিবীর কিছুতে নেই। এরপর আর দেখতে ইচ্ছা করলো না; মনে হলো, সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রগুলোর অবস্থা এত খারাপ যে আমেরিকানরা চাইলেই ভোগ করতে পারে সেসব দেশের মেয়েদেরকে; বা, আমেরিকান পুরুষদের কাছে নিজেদের বিলিয়ে দেয়ার জন্য তারা ব্যাকুল হয়ে আছে; এত যে, আটলান্টিক পার হয়ে সেই দেশে পোঁছতেও তাদের আপত্তি নাই — পৃথিবীকে এটা দেখানোর উদ্দেশ্যে, বিশেষত পুঁজিবাদি রাষ্ট্রের যৌন-আধিপত্য প্রদর্শনের মনস্তত্ত্ব থেকে এইসব ছবি বানানো হয়েছে। আমেরিকার উদ্দেশ্যের অর্থ আরও প্রসারিত ও চরম ক’রে দেখলে এটা ভাবা অযৌক্তিক হবে না যে, তারা দেখাতে চায় — দ্যাখো, ওরা আমাদের কাছে আসে আমাদের অধমাঙ্গ চোষার জন্য, আমাদের নুনুটা ওদের খুব প্রিয়, ওদের যোনি চায় আমাদের লিঙ্গের বিরামহীন ঘর্ষণ!

১৯৯০ সাল থেকে ‘লৈঙ্গিক রাজনীতি’ টার্মটি বেশ শুনে আসছি; আমার মনে হলো, আমেরিকার আছে পণ্যবাদী রাজনৈতিক লিঙ্গ, যা দখল ও সম্মোহিত করতে পারে তাদের প্রতিপক্ষের মেয়েদেরকে; অধিকন্তু, আমেরিকায় পুরুষের খুব অভাব, তবে তাদের লিঙ্গ অতুলনীয়; ফলে একজন আমেরিকান পুরুষের জন্য মেয়েরা দল বেঁধে আসে; এবং তাদের বেশির ভাগই আসে পূর্ব ইউরোপ থেকে।

আমার এই এফোঁড়-ওফোঁড় ধারণার সত্যাসত্য নিশ্চিত হওয়ার জন্য ফরওয়ার্ড করে ফিতার শেষাংশে দেখলাম, ছবিটা ১৯৯০ সালেই তৈরি করা হয়েছে, যখন সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে পড়ছে, ইউরোপের সমাজতান্ত্রিক দেশগুলোয় বিদ্যমান রাষ্ট্রব্যবস্থার নড়বড়ে দশা। এরই মধ্যে, ১৯৮৯ সালের ডিসেম্বরে চসেস্কুর পতন ঘটেছে, সস্ত্রীক তাঁকে মেরে ফেলা হয়েছে।

যা হোক, তারপর ইন্ডিয়ান মুভি দেখতে শুরু করলাম। প্রথমে নগ্ন মহিলাদের যূথবদ্ধ গোসল [স্নান বলা কি সঙ্গত ছিল? বললে খুব কাব্যিক ভাব এসে যেতো; কিন্তু আমি তো ‘কাব্য করতে’ বসিনি হে বঙ্গীয় পাঠক!]; তারপর নারীপুরুষের নিঃশব্দ ধস্তাধস্তি চলতে লাগলো। ভাবলাম, যে ভারতবর্ষে কোনারক-খাজুরাহো-কামসূত্র বিবেচিত যৌনতার শিল্পকলা বলে, সেখানে এইরকম ধস্তাধস্তির দৃশ্য অকল্পনীয়। কিন্তু এরই মধ্যে মশারি টাঙিয়ে তার ভিতরে উপুড় হয়ে কবি যে কখন ঘুমিয়ে পড়লেন, টের পাওয়া গেল না। দেখা গেল, বালিশের পাশে সেই কাগজপত্র আর একটা ইকোনো বলপয়েন্ট। মশারি, বালিশ আর বিছানা থেকে বের হচ্ছে এমন এক গন্ধ, যা তৈরি হয়েছে ঘাম আর শ্যাম্পু না-করা চুলের গন্ধের মিশ্রণে, ধূলাময়লার সমর্থন ও কবির জীবনযাপনের মৌলিকতায় জড়িত হয়ে তা ঘ্রাণেন্দ্রিয়কে অস্থির করে ফেলছে — মদের বোতল ও অন্যান্য জিনিসপত্র সরিয়ে ঘুমানোর উদ্যোগ করতেই টের পাওয়া শুরু হলো। উপুড় হয়ে শোয়া আমারও অভ্যাস, মনে হয়, পৃথিবীর বেশির ভাগ কবি এভাবেই শোয়। কিন্তু স্নায়ু তছনছ-করা বালিশের গন্ধ আমাকে চিৎ হয়ে শুয়ে থাকতে বাধ্য করলো, ফলে হার্ডবোর্ডের সিলিংয়ে দৃষ্টি পড়লো, বাসাটার চালা যে টিনের, এই প্রথম মনে হলো। হার্ডবোর্ডে বড় বড় ইঁদুরের চলাচল টের পেতে লাগলাম। এই শব্দ-গন্ধের মধ্যে ঘুম হয়েছিল কি? ভোরের আলো ফোটার পর দরজা খুলে নোবেলপ্রত্যাশী কবিকে নিদ্রিত রেখে বাসার দিকে বেরিয়ে পড়লাম।

এরই মধ্যে বাংলা একাডেমী [তখন দীর্ঘ ই-কার] তরুণ লেখক প্রকল্পের বিজ্ঞাপন ছাপা হলো ইত্তেফাকে, সালাম সালেহ উদ্দীন আর আমি বিপুল উৎসাহ নিয়ে সেখানে গেলাম, দেখি জেনিস মাহমুন, মজিদ মাহমুদ, মনির জামান, বদরুল হায়দার সহ আরও কয়েকজন গেটে কলাঝুলানো চায়ের দোকানের [এখন আর নেই, দোকানদারের মাথার উপরে রাশি রাশি কলা ঝুলে থাকতো বলে এর নাম দিয়েছি ‘কলাঝুলানো’ দোকান] সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। যাদের নাম বললাম, তাদের মধ্যে দু’জন দৃশ্যত বেকার, ‘ছদ্মবেকার’ শব্দটিও এখানে প্রযোজ্য হতে পারে। জেনিস মাহমুন পিরোজপুরে দেলোয়ার হোসেন সাঈদীর এলাকা ইন্দুরকানীতে সেখানকার একমাত্র কলেজে ইংরেজি পড়ান। মজিদ মাহমুদ তখন পতনোন্মুখ দৈনিক বাংলায় কাজ করেন ব’লে জানতাম। তো, তরুণ লেখক প্রকল্পের প্রতি আমাদের উৎসাহের কারণ — প্রথমত মাসে তিন হাজার টাকা, দ্বিতীয়ত কম্পিউটার কম্পোজটম্পোজ শেখা, তৃতীয়ত নিজের একটা বই প্রকল্পের খরচে প্রকাশ, বিখ্যাত ও জনপ্রিয় সাহিত্যিক ও পণ্ডিতদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ, তৃতীয়ত প্রায় সারাদিনই বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা দেয়া, চতুর্থত মূর্খ ও প্রতিভাহীনদের খুব কাছে থেকে দেখা [এটাই বেশি ঘটেছিল; চল্লিশ জনের মধ্যে তিরিশ জনই ছিল মৌলিক গর্দভ, এদের কাণ্ড-কারখানা নিয়ে পরে বলি]।

আমরা তরুণ লেখক প্রকল্পে অংশগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিলাম, যদিও কয়েকজন তাদের বিদ্যমান চাকরি ছাড়তে হবে জেনে সেই সিদ্ধান্ত নিতে পারেননি; অনেকেই আবেদন করেছিলেন, সাক্ষাৎকারের দিন খানিকটা গোলমাল ক’রে স্থানত্যাগ করেছেন। আমার অংশ নেয়ার বিশেষ একটা কারণ ছিল। আজকের কাগজে কাজ করতে ভালো লাগছিল না। এক বছর পার হয়ে গেল, বেতন বাড়ে নি; পত্রিকার অবস্থাও খারাপ।

ডিএফপির বিরুদ্ধে রিপোর্ট করার কারণে সরকারি বিজ্ঞাপন বন্ধ। বিক্রিও পতনের দিকে, প্রতি সন্ধ্যায় আগের দিনের হাজার হাজার অবিক্রীত কপি নিয়ে ট্রাক এসে দাঁড়ায় অফিসের সামনে। অযোগ্যদের, বিশেষত রেজা আরেফিনের দাপট ও তেলবাজি দেখে মনটা বিষিয়ে উঠেছিল। এসব নিয়ে লেখার ইচ্ছা আছে ‘আমার সাংবাদিক জীবন’ নামের আত্মজীবনীতে। কতো সার্কাস দেখলাম! আহা!

যা হোক, ফেরার পথে সেই কবির সঙ্গে দেখা হলো, টিএসসির সামনে; তিনি বললেন, ‘কী খবর?’ ইশারাটা পরিষ্কার: আমার নোবেলের কী হইল? পাশে মনির জামান আর জেনিস মাহমুনের উপস্থিতিই এর কারণ ব’লে মনে হয়। তাঁকে খানিকটা সরিয়ে কানে কানে বললাম, ছয় নম্বরে উঠে গেছেন। তিনি আমাকে জড়িয়ে ধরলেন।

বললাম, ‘এখন বাসায় যান। আপনার চেহারা দেখলেই কবিরা বুঝে ফেলবে, জানতে চাইবে। নীরব থাকেন। বাসাতেই থাকেন। বেশি দিন ত নাই দেখতেছি।’

তিনি একটা চলন্ত খালি রিকশা থামিয়ে গন্তব্য-ভাড়া ঠিক না-ক’রেই লাফ দিয়ে উঠে বসলেন এবং বললেন, ‘চলো।’

আমাকে মনির জামান প্রশ্ন করলো, ‘কী ব্যাপার চঞ্চল, এই কবি এত জোরে ক্যান জড়াইয়া ধরলো তোমারে? ওর কবিতার প্রশংসা কইরা কিছু লিখছ না-কি?’

বললাম, ‘আরে না, কবির ইদানীং একটু খিঁচুনির ব্যারাম হইছে, খুব গরম পড়লে এই সমস্যা হয়। দেখলা না, আমাকে ভালো করে না ধরলে তো পইড়াই যাইতো।’

মনির জামান বললো, ‘এজন্যই তাড়াতাড়ি রিকশায় উঠলো, দেখলাম।’

(তৃতীয় কিস্তি)

উপরের ছবি: 

মনিপুরীপাড়ার ১০৬/১৬ নম্বর বাসায়, ১৯৯৫ সালে। ছোট মামা আনোয়ারুল কাজিমের তোলা। দেয়ালে যে-ছবি দেখা যাচ্ছে, তা আমারই। কবি ও ছোটকাগজ ঘণ্টার সম্পাদক সন্ত বেলালের তোলা। ১৯৯৩ সালে। কোনও লেমিনেশন ছাড়া, ছবিটি বাঁধাই করিয়ে আমাকে সে উপহার দিয়েছিল। এখন এর দৃশ্যোদ্ধার করা যায় না।

Flag Counter

SHARE
Previous articleআম্মা এবং বিদেশমাতৃকা (২)
Next articleহোস্টেল (১)
চঞ্চল আশরাফ
জন্ম. দাগনভুঁইয়া, ফেনী ১২ জানুয়ারি ১৯৬৯। কবি, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক ও সমালোচক। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে সম্মানসহ স্নাতকোত্তর। প্রকাশিত গ্রন্থ কবিতা : চোখ নেই দৃশ্য নেই [১৯৯৩], অসমাপ্ত শিরদাঁড়া [১৯৯৬], ও-মুদ্রা রহস্যে মেশে [২০০২], গোপনতাকামী আগুনের প্রকাশ্য রেখাগুলো [২০০৮], খুব গান হলো, চলো [২০১৩] উপন্যাস : কোনো এক গহ্বর থেকে [১৯৯৭], যে মৎস্যনারী [২০১১] গল্প : শূন্যতার বিরুদ্ধে মানুষের জয়ধ্বনি [১৯৯৯], সেই স্বপ্ন, যেখানে মানুষের মৃত্যু ঘটে [২০০৭], কোথাও না অথচ সবখানে [২০১৩] প্রবন্ধ : কবিতার সৌন্দর্য ও অন্যান্য বিবেচনা [২০১১] স্মৃতি : আমার হুমায়ুন আজাদ [২০১০]