হসপিটাল (৩)

কী করে তারা এত মোবাইল ফোন দিয়া? শুধুই কি কথা বলে নাকি অন্য কাজেও ব্যবহার করে?

লৌহিত্যের ধারে (৮)

কিছু রাস্তার নিজস্ব চরিত্রও থাকে। একেকটা রাস্তার একেকটা ইমেজ মাথায় স্থায়ী হইয়া যায়।

হোস্টেল (১১)

আপু হঠাৎ করে বললেন, “জানিস এই ছেলেটাকে ডাম্প করে আমি তোর ভাইয়ার সাথে প্রেম শুরু করি।..."

হোস্টেল (১০)

আমাকে আর টিয়া নামের একটা মেয়েকে আপু জিজ্ঞেস করলেন, কীরে ব্লু দেখেছিস কবে প্রথম?

রকি রোড সানডে (১১)

আমি ঘুমাইলেই অনেকগুলি বাচ্চা মানুষ স্বপ্ন দেখি। সবগুলি বাচ্চাই আমি। সেই বাচ্চা আমিগুলি আবার আমারে খুন করতেছেন বিভিন্ন ভাবে।

লৌহিত্যের ধারে (৭)

আমরাও আওয়াজ কইরাই পড়তাম। একদিন নানু আমারে জিগাইলেন, ‘অফ’ মানে কী।

খইট্টাল (৬)

দাদি ঘরের তন উডানো খাড়াইয়া চিল্লাইতে লাগলেন, "যাইছ নারে ছেলামইত্তা, যাইছ না কইলাম।"

লৌহিত্যের ধারে (৬)

খালি ছেইড়াইন আর বেইট্টাইন লইয়াই যত আলাপ।

হসপিটাল (২)

মাইকেল খাওয়া থামাইয়া অ্যানরে জিজ্ঞেস করল, তুমি কি জানতা যে সানিয়া মুসলিম?

খইট্টাল (৫)

বাপে মনে অয় জানতো না কালিকাবুরির দাদি কত গরিব।

লৌহিত্যের ধারে (৫)

প্রথম যখন নুডলস রান্ধা হইছে বাসায়, আমার দাদি জোবেদা খাতুন কইছিলেন, “এইগুলা হালালই না হারামই।”

লৌহিত্যের ধারে (৪)

ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে একটা রক্তাক্ত ইতিহাস জড়াইয়া আছে।