খইট্টাল (৬)

দাদি ঘরের তন উডানো খাড়াইয়া চিল্লাইতে লাগলেন, "যাইছ নারে ছেলামইত্তা, যাইছ না কইলাম।"

হোস্টেল (৫)

গোসলের সময় আসত সবাই জামা-কাপড় সব খুলে শুধু গামছা বা তোয়ালে জড়িয়ে বাথরুমে ঢুকত। গোসল করে বেরও হত ওই গামছা পরে।

নারগিস (৬)

একটা বই না পড়েও ‘সেরা পাঠক’! আমার খুব হিংসা হল। খুব দুঃখও হল। অপমানও লাগল। কোনটার কারণে জানি না, আমি কেঁদেই ফেললাম।

লৌহিত্যের ধারে (৩)

অবশ্য লোহিত মানে লাল, লৌহিত্য কি লোহিত থাইকা আসছে কিনা কে জানে!

রকি রোড সানডে (১০)

সেইদিন পতেঙ্গার ছাই রঙা পানি আর ততধিক ছাই রঙা সূর্য দেইখা মনে হইছিল আমি শুধু দেশ ঘুইরা জীবন কাটায়া দিতে পারবো।

নারগিস (১)

তখনকার দিনে মেয়েরা মদ গাঞ্জা খাওয়ার কথা ভাবত না। তাও আবার চট্টগ্রামে!

হোস্টেল (৮)

লিমন ভাইয়ার ক্যাঁ করে ওঠাটা খুবই আনস্মার্ট ছিল। আমার কানে ক্যাচ ক্যাচ করে লাগল। মানুষ তো স্মার্টলিও উহ্‌ আহ্‌ করতে পারে!

সবুজ নৈরাজ্যবাদী (৩)

একটা নিখোঁজ ফেরির অনুসন্ধান এত দূর যাবে, কেউ অনুমান করতে পারে নি।

রকি রোড সানডে (৫)

এর মাঝেই আবার জিগাইলেন আমি পেট বান্ধায়ে আসছি কিনা।

রকি রোড সানডে (৩)

পুরান বইয়ের দোকানে আসলেই আমার মন ভালো হয়ে যায়।

রকি রোড সানডে (২)

বুড়িরে বললাম, আমার তো নাইমে যাইতে হবে। আপনার গল্পটা তো শুনা হইলো না।

হোস্টেল (৪)

ঝর্না আপু তার একটা পা আমার কোলের উপর দিয়ে শুয়ে শুয়ে মুভি দেখার জন্য রেডি। এই পা তোলার ব্যাপারটায় আমি খুব বিরক্ত হই। কিন্তু কিছু বলতে পারি না কারণ ঝর্না আপু মিতা আপুরও আপু হয়।