হোস্টেল (৩)

আমি ভাব নিয়ে টিনার সাথে কথা বলছি। সনি পিঠে একটা কিল দিয়ে বলল, ওই এদিক তাকা, টিনারে ভাগা তো, কথা আছে। টিনা তো রেগে আগুন, মানে তুমি বললেই বিথী আমাকে ভাগিয়ে দিবে?

লৌহিত্যের ধারে (৭)

আমরাও আওয়াজ কইরাই পড়তাম। একদিন নানু আমারে জিগাইলেন, ‘অফ’ মানে কী।

হোস্টেল (৮)

লিমন ভাইয়ার ক্যাঁ করে ওঠাটা খুবই আনস্মার্ট ছিল। আমার কানে ক্যাচ ক্যাচ করে লাগল। মানুষ তো স্মার্টলিও উহ্‌ আহ্‌ করতে পারে!

রকি রোড সানডে (১০)

সেইদিন পতেঙ্গার ছাই রঙা পানি আর ততধিক ছাই রঙা সূর্য দেইখা মনে হইছিল আমি শুধু দেশ ঘুইরা জীবন কাটায়া দিতে পারবো।

রকি রোড সানডে (১১)

আমি ঘুমাইলেই অনেকগুলি বাচ্চা মানুষ স্বপ্ন দেখি। সবগুলি বাচ্চাই আমি। সেই বাচ্চা আমিগুলি আবার আমারে খুন করতেছেন বিভিন্ন ভাবে।

হোস্টেল (৭)

রিযাদ একটু কোমল স্বরে আমার দিকে ঘুরে বসে বলল, “নাও এটা তোমার জন্য আমার দেওয়া মনে হয় শেষ গোলাপ। এখন আর প্রতিদিন তোমাকে গোলাপ দেওয়া হবে না।

রকি রোড সানডে (৩)

পুরান বইয়ের দোকানে আসলেই আমার মন ভালো হয়ে যায়।

রকি রোড সানডে (৬)

আমার এক্সপেরিয়েন্স দুই মাসের, উনার এক্সপেরিয়েন্স তিরিশ বছরের। আমি কিছু একটা কইলেই “তুমি বেশি বুঝো?” মার্কা একটা চেহারা কইরা উনি আমার দিকে তাকায় থাকেন।

হোস্টেল (১০)

আমাকে আর টিয়া নামের একটা মেয়েকে আপু জিজ্ঞেস করলেন, কীরে ব্লু দেখেছিস কবে প্রথম?

লৌহিত্যের ধারে (২)

মাইয়া মাইনষের বাপের বাড়ি থাকে কিংবা শ্বশুরবাড়ি, নিজের বাড়ি থাকে না।

সবুজ নৈরাজ্যবাদী

ওই কক্ষে স্তরের পর স্তর নথির নিচে চাপা দিয়ে রাখা হয়েছে সেইসব “আন-নলেজ”, যেগুলি কর্তৃপক্ষের ভাষায় “বিধ্বংসী”।

হোস্টেল (৬)

রিমন তাও দাঁড়িয়ে আছে। চশমা খুলে আমাকে বলল, “চল না একটু ছাদে যাই। বাসায় বলবা যে লিফট বন্ধ, তাই একটু লেট হল।