লৌহিত্যের ধারে (৮)

কিছু রাস্তার নিজস্ব চরিত্রও থাকে। একেকটা রাস্তার একেকটা ইমেজ মাথায় স্থায়ী হইয়া যায়।

লৌহিত্যের ধারে (১)

বহুদিন নিজের বাড়িতে থাকবার পর মমেনসিং শহরে ভাড়া বাড়িতে উঠতে কেমন জানি আজব অনুভূতি হইতেছিল। নিজেরে আগন্তুক মনে হইতে থাকল।

লৌহিত্যের ধারে (২)

মাইয়া মাইনষের বাপের বাড়ি থাকে কিংবা শ্বশুরবাড়ি, নিজের বাড়ি থাকে না।

লৌহিত্যের ধারে (৪)

ব্রহ্মপুত্র নদের সঙ্গে একটা রক্তাক্ত ইতিহাস জড়াইয়া আছে।

লৌহিত্যের ধারে (৬)

খালি ছেইড়াইন আর বেইট্টাইন লইয়াই যত আলাপ।

লৌহিত্যের ধারে (৫)

প্রথম যখন নুডলস রান্ধা হইছে বাসায়, আমার দাদি জোবেদা খাতুন কইছিলেন, “এইগুলা হালালই না হারামই।”

লৌহিত্যের ধারে (৭)

আমরাও আওয়াজ কইরাই পড়তাম। একদিন নানু আমারে জিগাইলেন, ‘অফ’ মানে কী।

লৌহিত্যের ধারে (৩)

অবশ্য লোহিত মানে লাল, লৌহিত্য কি লোহিত থাইকা আসছে কিনা কে জানে!