এক রাত্রির গল্প

ঢাকা শহরের প্রধান তিনটা আবাসিক হোটেল কেন্দ্রিক বেশ্যাবৃত্তির বেল্টের মধ্যে এই নবাবপুর রোডের বেল্টটা আপন স্বাতন্ত্র্যে উজ্জ্বল।

রোমানা

হায়দারের অনুরোধে আর নিজের গরজে লিজা তার পেশকার চাচারে বইলা কইয়া রুশোরে বাইরে আনার জোর চেষ্টা করতে থাকে।

তারা মাংস দিয়ে বানানো

“মাংস ঝাপটালে বা একটার সাথে আরেকটা জোরে নাড়ালে শব্দ হয়। তারা এরকম শব্দ করেই কথা বলে। এমনকী তারা তাদের মাংসের ভিতর নিয়ন্ত্রিত ভাবে বাতাস নিয়ে গানও গাইতে পারে।”

কবি সালমান বুলবুল ও তার দুই স্তন বিশিষ্ট ডিগ্রি কলেজ

তখন ডিগ্রি কলেজ তারে বলে—“কবি সাহিত্যিক ধরনের কাউরে এই প্রথম আমি দেখলাম।”

জুঁই

যখন ট্রেন ছাড়ল, আমার জানালা ঘেঁষে প্লাটফর্ম ধরে হাঁটতে হাঁটতে কথাটা ও বলল। "যদি আর খোঁজ না থাকে, ঠিক দশ বছর পর এই তারিখে এই স্টেশনের ওভারব্রিজে থেকো, বিকেল পাঁচটায়।"

আম্মা এবং বিদেশমাতৃকা (২)

শেষ দিনটাতে মৌসুমীর বাসায় পার্টি হল। পটলাক পার্টি। চৌদ্দপদের ভর্তার ফ্যাশন প্যারেড।

অা নাইট উইথ ব্রাত্য রাইসু

রাইসু বলল, সেও নাকি রাতে হাসপাতালে থাকবে! এটা শোনামাত্র আমার প্রিয় বন্ধু “টা টা” বলে চলে গেল।

আম্মা এবং বিদেশমাতৃকা (৩)

আমার মা’কে গালি দিবা না, বিচ!... তোমার মতো আসমান থেকে টপকানো বন্ধুবান্ধব দিয়ে ঘর ভর্তি করার অভ্যাস আমাদের ফ্যামিলির কারোই না!”

আম্মা এবং বিদেশমাতৃকা

সুবর্ণার এখনকার বর বিদেশ যাওয়ার জন্য পাগল পাগল বদ্ধ পাগল ছিলেন। উনি শাদা শাদা ফ্যাকাশে মানুষদেরকে বিদেশী বলতেন। বাকিরা হয় চিংকু, নয় মালু, নয় কাউলা। উনার মধ্যে জাতিবিদ্বেষ কম ছিল।

লিভিং উইদ আইটেম সং

আমার বিছানায় ওর অন্য একটা কানের রিং। তার মানে, সে-ও অ-বাস্তবে আমার বাসায় আসছিল। বাস্তবে তো হয়-ই না। হাইপোথেটিক্যালিও আমাদের দেখা হইল না।

মানসী

ওর বাসায় খুব রেস্ট্রিকশন রে। মানসীর বাপ একটা চুতিয়া আর মা একটা দ..দ..দজ্জাল।

অরূপ ভট্টের ওয়াইফাই জোন

দেখবেন হারুনের টি স্টল থেকে হোসেনের মুদি দোকান পর্যন্ত রাস্তার দু’ধারে অসংখ্য ইয়াংবয়সী ছেলে। প্রত্যেকেই হাতে স্মার্টফোন নিয়ে উবু হয়ে বসে আছে।