ঘটিকাহিনী (৩২)

বাংলাদেশের, কলকাতার প্রতিটা ইট-পাথর আমার কাছে পবিত্র।... তোমরা সবাই আমার নিজের লোক, আমার আত্মীয়। আমাকে ভুলে যেও না।

ঘটিকাহিনী (৩১)

চোদ্দই আগস্ট বিকেল তিনটের সময়ে দমদম এয়ারপোর্ট লোকারণ্য। সব মিলিয়ে সত্তর জন লোক এসেছে আমাকে সী-অফ করার জন্যে।

ঘটিকাহিনী (৩০)

ছোটমামা এইমাত্র মারা গেছে।... মাথায় গুলি ঢুকে গিয়েছিল, আর "মেশিন"টা পাওয়া গিয়েছিল কয়েক ফুট দূরে একটা খবরের কাগজের নিচে।

ঘটিকাহিনী (২৯)

নাগেশ চলে যাবার পর আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলাম আমেরিকাতে যাবার জোর চেষ্টা চালাব। এই জীবন আর ভালো লাগছে না।

ঘটিকাহিনী (২৮)

কলেজে পড়াতে শুরু করলাম। লণ্ঠনের আলো। ইলেকট্রিসিটি নেই ওখানে। জনমানবশূন্য এলাকা। একটা দোতলা পাকা বাড়ি। সেটাই নতুন সায়েন্স বিল্ডিং।... একটা জেনারেটার চালিয়ে সায়েন্সের ল্যাব চলে। তার জন্যে একটা লোক রাখা হয়েছে। তার নাম পঞ্চানন।

ঘটিকাহিনী (২৭)

বাংলাদেশের উদারনৈতিক সমাজ ও সভ্যতার সঙ্গে আর এস এস জনসংঘ বিদ্যার্থী পরিষদের দর্শন যে একেবারেই মেলে না, তা এখন আমি বুঝতে পেরেছি। এদের সঙ্গে আমি বহু বছর নষ্ট করেছি। আর নয়।

ঘটিকাহিনী (২৬)

সেই তপতী।... মন দিয়ে পড়ার জন্যে, আর বাইরের হাজার শব্দ থেকে নিজেকে একেবারে কাট-অফ করে ফেলার জন্যে ও দু কানে দুটো পেন্সিলের পিছন দিকটা গুঁজে রাখত।

ঘটিকাহিনী (২৫)

সবাই চুপচাপ। মা আমাদের বন্ধুদের কত ভালবাসত। কত রান্না করে খাইয়েছে আমার জন্মদিনে। হয়ত ওদের সেসব কথা একটু একটু মনে পড়ছিল, কে জানে!

ঘটিকাহিনী (২৪)

ডাক্তারবাবু অবাক হলেন। দুঃখিত মুখে আস্তে আস্তে বললেন, "তুই জানিস না? তোকে বাবা কিছু বলে নি?" আমি বললাম, "না তো! কী বলবে? কী হয়েছে মার?"

ঘটিকাহিনী (২৩)

ইন্দিরা গান্ধীর বখাটে ছেলে সঞ্জীব, সঞ্জয় নাম ধারণ করে সারা ভারতে গুণ্ডাবাজী করে বেড়াচ্ছে।... কলকাতার পাড়ায় পাড়ায় দেওয়ালে লেখা হচ্ছে, "এশিয়ার মুক্তিসূর্য ইন্দিরা গান্ধী লহ প্রণাম।"

ঘটিকাহিনী (২২)

ওঁর বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে চাপা গলায় ডেকেছিলাম, "ডাক্তারবাবু, ডাক্তারবাবু, একটু আসবেন আমাদের বাড়ি? বাবার খুব বুকে ব্যথা করছে। মা বলল আপনাকে ডেকে নিয়ে আসতে।"

ঘটিকাহিনী (২১)

"মসীত খাঁ ছিলেন আমার গুরু কেরামত সাহেবের বাবা, বুঝলে?" মাষ্টারমশাই একদিন বললেন। "তখনকার দিনে তবলা শেখা আর এখনকার তবলা শেখা, বুঝলে পার্থ, আকাশ আর পাতাল।"