ঘটিকাহিনী (৫)

এদিকে বাবা হাত ধরে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দিল ছ বছর বয়েসেই গোয়াবাগান পার্কে আর এস এসের শাখায়। বাবার মানসচক্ষে আমি হিন্দুরাষ্ট্রের নতুন এক কর্ণধার।

ঘটিকাহিনী (১৭)

আর তারপর, শ্লোগান দিলাম, "জয় বাংলা। শেখ মুজিবর জিন্দাবাদ।" এ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক ছিল। খুব বাহবা পাওয়া গেল ছেলেদের কাছ থেকে।

ঘটিকাহিনী (১০)

আমরা জেনে গেছি যে আমাদের স্কুলের প্রত্যেকটি শিক্ষকের এক একটি ছাত্রপ্রদত্ত নাম আছে। এবং, সে নাম অতি উপভোগ্য ও জনপ্রিয়।

ঘটিকাহিনী (১৫)

আমি অনেক, অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেছি। অনেক ভেবেছি রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে। বিশ্লেষণ শেখার পর ভাবতে চেষ্টা করেছি কেন এত ভালো লাগে তাঁর গান।

ঘটিকাহিনী (১৬)

সেই সময়ে আমার এক বান্ধবী হয়ে গেল। বান্ধবী মানে গার্লফ্রেন্ড নয়, এমনি বান্ধবী।

ঘটিকাহিনী (১২)

এরা এমন মেয়ে ছিল যে কোনো ছেলে এদের পিছনে লাগার সাহস পেত না। লোভী, অসভ্য ছেলেরা এসব মেয়েদের ভয় পেত। রীতিমত সমীহ করে চলত।

ঘটিকাহিনী (১)

তপনবাবুর নামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ-লেখার নাম দিয়ে ফেললাম ঘটিকাহিনী। কারণ, আমরা সবাই ঘটি।

ঘটিকাহিনী (২৯)

নাগেশ চলে যাবার পর আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলাম আমেরিকাতে যাবার জোর চেষ্টা চালাব। এই জীবন আর ভালো লাগছে না।

ঘটিকাহিনী (৩১)

চোদ্দই আগস্ট বিকেল তিনটের সময়ে দমদম এয়ারপোর্ট লোকারণ্য। সব মিলিয়ে সত্তর জন লোক এসেছে আমাকে সী-অফ করার জন্যে।

ঘটিকাহিনী (১৪)

বাজার করাটা তাদের কাছে ছিল যেন একটা পরম আনন্দের বিষয়। একটা যেন স্পিরিচুয়াল ব্যাপার। একটা অতিন্দ্রীয় অভিজ্ঞতা। প্রতিদিনের শুরুতে যেন একটা উপাসনার মত।

ঘটিকাহিনী (৩০)

ছোটমামা এইমাত্র মারা গেছে।... মাথায় গুলি ঢুকে গিয়েছিল, আর "মেশিন"টা পাওয়া গিয়েছিল কয়েক ফুট দূরে একটা খবরের কাগজের নিচে।

ঘটিকাহিনী (১৩)

আমাদের বাবা কাকা দাদু দিদাদের দেখলেই বাংলাদেশটা কেমন ছিল, সেটা একটু একটু টের পাওয়া যায়। আমরা সেই বাংলাদেশটা থেকে, তার সুখ থেকে বঞ্চিত হয়েছি চিরকাল।