ঘটিকাহিনী (১৪)

বাজার করাটা তাদের কাছে ছিল যেন একটা পরম আনন্দের বিষয়। একটা যেন স্পিরিচুয়াল ব্যাপার। একটা অতিন্দ্রীয় অভিজ্ঞতা। প্রতিদিনের শুরুতে যেন একটা উপাসনার মত।

কবি উৎপলকুমার বসুর ঢাকা সফর

আমরা হা হা করিয়া হাসতেছিলাম। উৎপলও হাসতেছিলেন। উৎপল একটানা হাসাইতে পারেন। পরের আড্ডাগুলায় টের পাইছিলাম।

ঘটিকাহিনী (১৬)

সেই সময়ে আমার এক বান্ধবী হয়ে গেল। বান্ধবী মানে গার্লফ্রেন্ড নয়, এমনি বান্ধবী।

ঘটিকাহিনী (১৩)

আমাদের বাবা কাকা দাদু দিদাদের দেখলেই বাংলাদেশটা কেমন ছিল, সেটা একটু একটু টের পাওয়া যায়। আমরা সেই বাংলাদেশটা থেকে, তার সুখ থেকে বঞ্চিত হয়েছি চিরকাল।

ঘটিকাহিনী (২০)

স্বপ্নে কলকাতা, বাংলাদেশটা আর ভারতবর্ষ ফিরে ফিরে আসে। দিবাস্বপ্নে আসে। রাতের ঘুমের মধ্যে আসে। গোরাচাঁদ বোস রোড আসে। কারবালা ট্যাংক লেন আসে। প্যারী রো, গোয়াবাগান পার্ক আসে।

ঘটিকাহিনী (২৪)

ডাক্তারবাবু অবাক হলেন। দুঃখিত মুখে আস্তে আস্তে বললেন, "তুই জানিস না? তোকে বাবা কিছু বলে নি?" আমি বললাম, "না তো! কী বলবে? কী হয়েছে মার?"

কবি উৎপলকুমার বসুর ঢাকা সফর (২)

নজরুলের কবিতার ফর্ম ওনার ভাল লাগে নাই। উনি কইলেন, নজরুলের কবিতায় বেশি অ্যাম্বিশাস কথাবার্তায় ঠাসা, এটা ভাল লাগে না আমার।

ঘটিকাহিনী (১৫)

আমি অনেক, অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেছি। অনেক ভেবেছি রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে। বিশ্লেষণ শেখার পর ভাবতে চেষ্টা করেছি কেন এত ভালো লাগে তাঁর গান।

ঘটিকাহিনী (২৬)

সেই তপতী।... মন দিয়ে পড়ার জন্যে, আর বাইরের হাজার শব্দ থেকে নিজেকে একেবারে কাট-অফ করে ফেলার জন্যে ও দু কানে দুটো পেন্সিলের পিছন দিকটা গুঁজে রাখত।

নব্বইয়ের দশক (২)

এরই মধ্যে বাংলা একাডেমী [তখন দীর্ঘ ই-কার] তরুণ লেখক প্রকল্পের বিজ্ঞাপন ছাপা হলো ইত্তেফাকে, সালাম সালেহ উদ্দীন আর আমি বিপুল উৎসাহ নিয়ে সেখানে গেলাম...

ঘটিকাহিনী (৩১)

চোদ্দই আগস্ট বিকেল তিনটের সময়ে দমদম এয়ারপোর্ট লোকারণ্য। সব মিলিয়ে সত্তর জন লোক এসেছে আমাকে সী-অফ করার জন্যে।

ঘটিকাহিনী (২১)

"মসীত খাঁ ছিলেন আমার গুরু কেরামত সাহেবের বাবা, বুঝলে?" মাষ্টারমশাই একদিন বললেন। "তখনকার দিনে তবলা শেখা আর এখনকার তবলা শেখা, বুঝলে পার্থ, আকাশ আর পাতাল।"