নব্বইয়ের দশক (৫)

এক রম্য গল্পকার বললো, "নিজেকে আপনি কী মনে করেন? শওকত আলীর চেয়ে বড় লেখক?"

নব্বইয়ের দশক (৪)

পরের দিন বিকালের সেশনে গল্পপাঠের আসর বসলো সেই অডিটোরিয়ামে। আসরার মাসুদই শুরু করলো। গল্পের নাম ‘সাইলেসিয়া’।

কবি উৎপলকুমার বসুর ঢাকা সফর (২)

নজরুলের কবিতার ফর্ম ওনার ভাল লাগে নাই। উনি কইলেন, নজরুলের কবিতায় বেশি অ্যাম্বিশাস কথাবার্তায় ঠাসা, এটা ভাল লাগে না আমার।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দিনগুলি (২)

এই লেখার সূত্রে কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত কারো কারো হয়তো সে-সব দিনের কথা মনে পড়ে যাবে, তাঁরাও হয়তো কেউ কেউ মনে করিয়ে দেবেন অনেক কথা।

নব্বইয়ের দশক (৩)

এই স্কলারদের মধ্যে ছয় মাস যে কী তামাশায় কেটেছে, বললে কৌতুকবাজরাও নিজেদের সৃষ্টিশীলতার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারেন। এসব একটু পরে বলি।

ঘটিকাহিনী (৯)

কালুদা বললেন, "ওঃ, তোরা দেখে ফেলেছিস? ওই উত্তম এসেছিল।" আমরা তো হাঁ। মানে, বিরাট হাঁ। বলে কী রে? উত্তমকুমার? মানে, আসল উত্তমকুমার?

ঘটিকাহিনী (১৫)

আমি অনেক, অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেছি। অনেক ভেবেছি রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে। বিশ্লেষণ শেখার পর ভাবতে চেষ্টা করেছি কেন এত ভালো লাগে তাঁর গান।

ঘটিকাহিনী (২৯)

নাগেশ চলে যাবার পর আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলাম আমেরিকাতে যাবার জোর চেষ্টা চালাব। এই জীবন আর ভালো লাগছে না।

ঘটিকাহিনী (২০)

স্বপ্নে কলকাতা, বাংলাদেশটা আর ভারতবর্ষ ফিরে ফিরে আসে। দিবাস্বপ্নে আসে। রাতের ঘুমের মধ্যে আসে। গোরাচাঁদ বোস রোড আসে। কারবালা ট্যাংক লেন আসে। প্যারী রো, গোয়াবাগান পার্ক আসে।

ঘটিকাহিনী (২৫)

সবাই চুপচাপ। মা আমাদের বন্ধুদের কত ভালবাসত। কত রান্না করে খাইয়েছে আমার জন্মদিনে। হয়ত ওদের সেসব কথা একটু একটু মনে পড়ছিল, কে জানে!

ঘটিকাহিনী (২)

ইংলিশ মাধ্যমে না পড়লে, এবং সঙ্গে সঙ্গে হিন্দি না শিখলে পশ্চিমবাংলায় আমাদের ছেলেমেয়েদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। এসব নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকার ত্যাগ ও আদর্শের আর কোনো দাম কলকাতা, পশ্চিম বাংলা দেবে না।

ঘটিকাহিনী (৮)

পাশের বাড়ির কার্তিকের বোন রেবু আর বাণু বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে চীৎকার করে ডাকছে, "এই দাদা, চলে আয়, ম্যাসটার এয়েচে। বাবা ডাকচে।" তারপর বলছে, "কী রে একনো এলি না? বাবা দেবে এবার।