ঘটিকাহিনী (২২)

ওঁর বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে চাপা গলায় ডেকেছিলাম, "ডাক্তারবাবু, ডাক্তারবাবু, একটু আসবেন আমাদের বাড়ি? বাবার খুব বুকে ব্যথা করছে। মা বলল আপনাকে ডেকে নিয়ে আসতে।"

ঘটিকাহিনী (২৩)

ইন্দিরা গান্ধীর বখাটে ছেলে সঞ্জীব, সঞ্জয় নাম ধারণ করে সারা ভারতে গুণ্ডাবাজী করে বেড়াচ্ছে।... কলকাতার পাড়ায় পাড়ায় দেওয়ালে লেখা হচ্ছে, "এশিয়ার মুক্তিসূর্য ইন্দিরা গান্ধী লহ প্রণাম।"

ঘটিকাহিনী (৪)

এলোমেলো করে ছড়ানো রয়েছে চতুর্দিকে। দেখে একটু আশ্চর্য লেগেছিল। এই দাদু আর দিদার বাড়ি এত খেলনা কেন? বোধহয় মাকে জিগ্যেসও করেছিলাম দু একবার। উত্তর পাই নি।

ঘটিকাহিনী (৭)

শনিবার কি রবিবার বাবা আর মা সেই হলগুলোতে নাইট শোতে সিনেমা দেখতে যেত। আমাকে রেখে যেত আমার মাসি শোভার কাছে।... আমরা গান শুনতাম।

ঘটিকাহিনী (১০)

আমরা জেনে গেছি যে আমাদের স্কুলের প্রত্যেকটি শিক্ষকের এক একটি ছাত্রপ্রদত্ত নাম আছে। এবং, সে নাম অতি উপভোগ্য ও জনপ্রিয়।

ঘটিকাহিনী (২৪)

ডাক্তারবাবু অবাক হলেন। দুঃখিত মুখে আস্তে আস্তে বললেন, "তুই জানিস না? তোকে বাবা কিছু বলে নি?" আমি বললাম, "না তো! কী বলবে? কী হয়েছে মার?"

ঘটিকাহিনী (৩)

ক্লাস থ্রি পর্যন্ত খুব চুপচাপ, লাজুক আর ভালোমানুষ আমি, পার্থ, ক্লাস ফোরে কী করে যেন একটা রাফ মত, লিডার মত হয়ে গেলাম। মানে, ক্লাস ফোরের ছেলে যতটা রাফ হতে পারে আর কি।

ঘটিকাহিনী (২৭)

বাংলাদেশের উদারনৈতিক সমাজ ও সভ্যতার সঙ্গে আর এস এস জনসংঘ বিদ্যার্থী পরিষদের দর্শন যে একেবারেই মেলে না, তা এখন আমি বুঝতে পেরেছি। এদের সঙ্গে আমি বহু বছর নষ্ট করেছি। আর নয়।

ঘটিকাহিনী (২৬)

সেই তপতী।... মন দিয়ে পড়ার জন্যে, আর বাইরের হাজার শব্দ থেকে নিজেকে একেবারে কাট-অফ করে ফেলার জন্যে ও দু কানে দুটো পেন্সিলের পিছন দিকটা গুঁজে রাখত।

ঘটিকাহিনী (২৫)

সবাই চুপচাপ। মা আমাদের বন্ধুদের কত ভালবাসত। কত রান্না করে খাইয়েছে আমার জন্মদিনে। হয়ত ওদের সেসব কথা একটু একটু মনে পড়ছিল, কে জানে!

ঘটিকাহিনী (২৯)

নাগেশ চলে যাবার পর আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলাম আমেরিকাতে যাবার জোর চেষ্টা চালাব। এই জীবন আর ভালো লাগছে না।

ঘটিকাহিনী (৩১)

চোদ্দই আগস্ট বিকেল তিনটের সময়ে দমদম এয়ারপোর্ট লোকারণ্য। সব মিলিয়ে সত্তর জন লোক এসেছে আমাকে সী-অফ করার জন্যে।