ঘটিকাহিনী (২৪)

ডাক্তারবাবু অবাক হলেন। দুঃখিত মুখে আস্তে আস্তে বললেন, "তুই জানিস না? তোকে বাবা কিছু বলে নি?" আমি বললাম, "না তো! কী বলবে? কী হয়েছে মার?"

ঘটিকাহিনী (২৭)

বাংলাদেশের উদারনৈতিক সমাজ ও সভ্যতার সঙ্গে আর এস এস জনসংঘ বিদ্যার্থী পরিষদের দর্শন যে একেবারেই মেলে না, তা এখন আমি বুঝতে পেরেছি। এদের সঙ্গে আমি বহু বছর নষ্ট করেছি। আর নয়।

ঘটিকাহিনী (১)

তপনবাবুর নামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ-লেখার নাম দিয়ে ফেললাম ঘটিকাহিনী। কারণ, আমরা সবাই ঘটি।

ঘটিকাহিনী (২৫)

সবাই চুপচাপ। মা আমাদের বন্ধুদের কত ভালবাসত। কত রান্না করে খাইয়েছে আমার জন্মদিনে। হয়ত ওদের সেসব কথা একটু একটু মনে পড়ছিল, কে জানে!

ঘটিকাহিনী (১৯)

আল্পনা বলে এক বিধবা মহিলাকে তার গুণ্ডা ভাড়াটেরা আমাদেরই পাড়ায় দিনে দুপুরে উলঙ্গ করে রাস্তায় তাড়া করলো, আর তারপর একটা বেঞ্চিতে ওই ভাবেই বসিয়ে রাখল ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

ঘটিকাহিনী (১২)

এরা এমন মেয়ে ছিল যে কোনো ছেলে এদের পিছনে লাগার সাহস পেত না। লোভী, অসভ্য ছেলেরা এসব মেয়েদের ভয় পেত। রীতিমত সমীহ করে চলত।

ঘটিকাহিনী (২১)

"মসীত খাঁ ছিলেন আমার গুরু কেরামত সাহেবের বাবা, বুঝলে?" মাষ্টারমশাই একদিন বললেন। "তখনকার দিনে তবলা শেখা আর এখনকার তবলা শেখা, বুঝলে পার্থ, আকাশ আর পাতাল।"

ঘটিকাহিনী (২৮)

কলেজে পড়াতে শুরু করলাম। লণ্ঠনের আলো। ইলেকট্রিসিটি নেই ওখানে। জনমানবশূন্য এলাকা। একটা দোতলা পাকা বাড়ি। সেটাই নতুন সায়েন্স বিল্ডিং।... একটা জেনারেটার চালিয়ে সায়েন্সের ল্যাব চলে। তার জন্যে একটা লোক রাখা হয়েছে। তার নাম পঞ্চানন।

ঘটিকাহিনী (২৯)

নাগেশ চলে যাবার পর আমি দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলাম আমেরিকাতে যাবার জোর চেষ্টা চালাব। এই জীবন আর ভালো লাগছে না।

ঘটিকাহিনী (১৬)

সেই সময়ে আমার এক বান্ধবী হয়ে গেল। বান্ধবী মানে গার্লফ্রেন্ড নয়, এমনি বান্ধবী।

ঘটিকাহিনী (১৫)

আমি অনেক, অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেছি। অনেক ভেবেছি রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে। বিশ্লেষণ শেখার পর ভাবতে চেষ্টা করেছি কেন এত ভালো লাগে তাঁর গান।

ঘটিকাহিনী (৬)

মাধু ছিল আমাদের গলিতেই শেষের দিকে একটা ফ্ল্যাটবাড়িতে থাকা আমার দুই বন্ধু বাবু আর বুড়োর ছোট বোন।