ঘটিকাহিনী

ঘটিকাহিনী (২২)

by

ওঁর বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে চাপা গলায় ডেকেছিলাম, “ডাক্তারবাবু, ডাক্তারবাবু, একটু আসবেন আমাদের বাড়ি? বাবার খুব বুকে ব্যথা করছে। মা বলল আপনাকে ডেকে নিয়ে আসতে।”

ঘটিকাহিনী (২১)

by

“মসীত খাঁ ছিলেন আমার গুরু কেরামত সাহেবের বাবা, বুঝলে?” মাষ্টারমশাই একদিন বললেন। “তখনকার দিনে তবলা শেখা আর এখনকার তবলা শেখা, বুঝলে পার্থ, আকাশ আর পাতাল।”

ঘটিকাহিনী (২০)

by

স্বপ্নে কলকাতা, বাংলাদেশটা আর ভারতবর্ষ ফিরে ফিরে আসে। দিবাস্বপ্নে আসে। রাতের ঘুমের মধ্যে আসে। গোরাচাঁদ বোস রোড আসে। কারবালা ট্যাংক লেন আসে। প্যারী রো, গোয়াবাগান পার্ক আসে।

ঘটিকাহিনী (১৯)

by

আল্পনা বলে এক বিধবা মহিলাকে তার গুণ্ডা ভাড়াটেরা আমাদেরই পাড়ায় দিনে দুপুরে উলঙ্গ করে রাস্তায় তাড়া করলো, আর তারপর একটা বেঞ্চিতে ওই ভাবেই বসিয়ে রাখল ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

ঘটিকাহিনী (১৮)

by

অনেকদিন পরে অঞ্জন দত্তর গান শুনেছিলাম একটা। সেই “সেখান থেকে একটু দূরে, পাড়ার মোড়টা একটু ঘুরে, অলিগলির পাকস্থলীর মধ্যে কারা গুমরে মরে…।” গানটা খুব ভালো লেগেছিল।

ঘটিকাহিনী (১৫)

by

আমি অনেক, অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেছি। অনেক ভেবেছি রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে। বিশ্লেষণ শেখার পর ভাবতে চেষ্টা করেছি কেন এত ভালো লাগে তাঁর গান।

ঘটিকাহিনী (১৪)

by

বাজার করাটা তাদের কাছে ছিল যেন একটা পরম আনন্দের বিষয়। একটা যেন স্পিরিচুয়াল ব্যাপার। একটা অতিন্দ্রীয় অভিজ্ঞতা। প্রতিদিনের শুরুতে যেন একটা উপাসনার মত।

ঘটিকাহিনী (১৩)

by

আমাদের বাবা কাকা দাদু দিদাদের দেখলেই বাংলাদেশটা কেমন ছিল, সেটা একটু একটু টের পাওয়া যায়। আমরা সেই বাংলাদেশটা থেকে, তার সুখ থেকে বঞ্চিত হয়েছি চিরকাল।