ঘটিকাহিনী (২০)

স্বপ্নে কলকাতা, বাংলাদেশটা আর ভারতবর্ষ ফিরে ফিরে আসে। দিবাস্বপ্নে আসে। রাতের ঘুমের মধ্যে আসে। গোরাচাঁদ বোস রোড আসে। কারবালা ট্যাংক লেন আসে। প্যারী রো, গোয়াবাগান পার্ক আসে।

ঘটিকাহিনী (১৯)

আল্পনা বলে এক বিধবা মহিলাকে তার গুণ্ডা ভাড়াটেরা আমাদেরই পাড়ায় দিনে দুপুরে উলঙ্গ করে রাস্তায় তাড়া করলো, আর তারপর একটা বেঞ্চিতে ওই ভাবেই বসিয়ে রাখল ঘণ্টার পর ঘণ্টা।

ঘটিকাহিনী (১৮)

অনেকদিন পরে অঞ্জন দত্তর গান শুনেছিলাম একটা। সেই "সেখান থেকে একটু দূরে, পাড়ার মোড়টা একটু ঘুরে, অলিগলির পাকস্থলীর মধ্যে কারা গুমরে মরে...।" গানটা খুব ভালো লেগেছিল।

ঘটিকাহিনী (১৭)

আর তারপর, শ্লোগান দিলাম, "জয় বাংলা। শেখ মুজিবর জিন্দাবাদ।" এ পর্যন্ত সব ঠিকঠাক ছিল। খুব বাহবা পাওয়া গেল ছেলেদের কাছ থেকে।

ঘটিকাহিনী (১৬)

সেই সময়ে আমার এক বান্ধবী হয়ে গেল। বান্ধবী মানে গার্লফ্রেন্ড নয়, এমনি বান্ধবী।

ঘটিকাহিনী (১৫)

আমি অনেক, অনেক রবীন্দ্রসঙ্গীত শুনেছি। অনেক ভেবেছি রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে। বিশ্লেষণ শেখার পর ভাবতে চেষ্টা করেছি কেন এত ভালো লাগে তাঁর গান।

ঘটিকাহিনী (১৪)

বাজার করাটা তাদের কাছে ছিল যেন একটা পরম আনন্দের বিষয়। একটা যেন স্পিরিচুয়াল ব্যাপার। একটা অতিন্দ্রীয় অভিজ্ঞতা। প্রতিদিনের শুরুতে যেন একটা উপাসনার মত।

ঘটিকাহিনী (১৩)

আমাদের বাবা কাকা দাদু দিদাদের দেখলেই বাংলাদেশটা কেমন ছিল, সেটা একটু একটু টের পাওয়া যায়। আমরা সেই বাংলাদেশটা থেকে, তার সুখ থেকে বঞ্চিত হয়েছি চিরকাল।

ঘটিকাহিনী (১২)

এরা এমন মেয়ে ছিল যে কোনো ছেলে এদের পিছনে লাগার সাহস পেত না। লোভী, অসভ্য ছেলেরা এসব মেয়েদের ভয় পেত। রীতিমত সমীহ করে চলত।

ঘটিকাহিনী ১১

আমি এখনো খুব আনন্দিত ভারত, বাংলা ও হিন্দুতার সঙ্গে নিজেকে আইডেনটিফাই করতে, কিন্তু জোর করে মগজে গজাল মেরে গুঁজে দেওয়াটা কোনকালেই আমার তেমন পছন্দ হয় নি।

ঘটিকাহিনী (১০)

আমরা জেনে গেছি যে আমাদের স্কুলের প্রত্যেকটি শিক্ষকের এক একটি ছাত্রপ্রদত্ত নাম আছে। এবং, সে নাম অতি উপভোগ্য ও জনপ্রিয়।

ঘটিকাহিনী (৯)

কালুদা বললেন, "ওঃ, তোরা দেখে ফেলেছিস? ওই উত্তম এসেছিল।" আমরা তো হাঁ। মানে, বিরাট হাঁ। বলে কী রে? উত্তমকুমার? মানে, আসল উত্তমকুমার?