ঘটিকাহিনী

ঘটিকাহিনী ১১

by

আমি এখনো খুব আনন্দিত ভারত, বাংলা ও হিন্দুতার সঙ্গে নিজেকে আইডেনটিফাই করতে, কিন্তু জোর করে মগজে গজাল মেরে গুঁজে দেওয়াটা কোনকালেই আমার তেমন পছন্দ হয় নি।

ঘটিকাহিনী (৯)

by

কালুদা বললেন, “ওঃ, তোরা দেখে ফেলেছিস? ওই উত্তম এসেছিল।” আমরা তো হাঁ। মানে, বিরাট হাঁ। বলে কী রে? উত্তমকুমার? মানে, আসল উত্তমকুমার?

ঘটিকাহিনী (৮)

by

পাশের বাড়ির কার্তিকের বোন রেবু আর বাণু বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে চীৎকার করে ডাকছে, “এই দাদা, চলে আয়, ম্যাসটার এয়েচে। বাবা ডাকচে।” তারপর বলছে, “কী রে একনো এলি না? বাবা দেবে এবার।

ঘটিকাহিনী (৫)

by

এদিকে বাবা হাত ধরে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দিল ছ বছর বয়েসেই গোয়াবাগান পার্কে আর এস এসের শাখায়। বাবার মানসচক্ষে আমি হিন্দুরাষ্ট্রের নতুন এক কর্ণধার।

ঘটিকাহিনী (৪)

by

এলোমেলো করে ছড়ানো রয়েছে চতুর্দিকে। দেখে একটু আশ্চর্য লেগেছিল। এই দাদু আর দিদার বাড়ি এত খেলনা কেন? বোধহয় মাকে জিগ্যেসও করেছিলাম দু একবার। উত্তর পাই নি।

ঘটিকাহিনী (৩)

by

ক্লাস থ্রি পর্যন্ত খুব চুপচাপ, লাজুক আর ভালোমানুষ আমি, পার্থ, ক্লাস ফোরে কী করে যেন একটা রাফ মত, লিডার মত হয়ে গেলাম। মানে, ক্লাস ফোরের ছেলে যতটা রাফ হতে পারে আর কি।