স্মৃতিকথা

ঘটিকাহিনী (১৪)

by

বাজার করাটা তাদের কাছে ছিল যেন একটা পরম আনন্দের বিষয়। একটা যেন স্পিরিচুয়াল ব্যাপার। একটা অতিন্দ্রীয় অভিজ্ঞতা। প্রতিদিনের শুরুতে যেন একটা উপাসনার মত।

ঘটিকাহিনী (১৩)

by

আমাদের বাবা কাকা দাদু দিদাদের দেখলেই বাংলাদেশটা কেমন ছিল, সেটা একটু একটু টের পাওয়া যায়। আমরা সেই বাংলাদেশটা থেকে, তার সুখ থেকে বঞ্চিত হয়েছি চিরকাল।

ঘটিকাহিনী ১১

by

আমি এখনো খুব আনন্দিত ভারত, বাংলা ও হিন্দুতার সঙ্গে নিজেকে আইডেনটিফাই করতে, কিন্তু জোর করে মগজে গজাল মেরে গুঁজে দেওয়াটা কোনকালেই আমার তেমন পছন্দ হয় নি।

ঘটিকাহিনী (৯)

by

কালুদা বললেন, “ওঃ, তোরা দেখে ফেলেছিস? ওই উত্তম এসেছিল।” আমরা তো হাঁ। মানে, বিরাট হাঁ। বলে কী রে? উত্তমকুমার? মানে, আসল উত্তমকুমার?

ঘটিকাহিনী (৮)

by

পাশের বাড়ির কার্তিকের বোন রেবু আর বাণু বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে চীৎকার করে ডাকছে, “এই দাদা, চলে আয়, ম্যাসটার এয়েচে। বাবা ডাকচে।” তারপর বলছে, “কী রে একনো এলি না? বাবা দেবে এবার।

কবি উৎপলকুমার বসুর ঢাকা সফর (২)

by

নজরুলের কবিতার ফর্ম ওনার ভাল লাগে নাই। উনি কইলেন, নজরুলের কবিতায় বেশি অ্যাম্বিশাস কথাবার্তায় ঠাসা, এটা ভাল লাগে না আমার।