ঘটিকাহিনী (১০)

আমরা জেনে গেছি যে আমাদের স্কুলের প্রত্যেকটি শিক্ষকের এক একটি ছাত্রপ্রদত্ত নাম আছে। এবং, সে নাম অতি উপভোগ্য ও জনপ্রিয়।

ঘটিকাহিনী (৯)

কালুদা বললেন, "ওঃ, তোরা দেখে ফেলেছিস? ওই উত্তম এসেছিল।" আমরা তো হাঁ। মানে, বিরাট হাঁ। বলে কী রে? উত্তমকুমার? মানে, আসল উত্তমকুমার?

ঘটিকাহিনী (৮)

পাশের বাড়ির কার্তিকের বোন রেবু আর বাণু বাড়ি থেকে বেরিয়ে এসে চীৎকার করে ডাকছে, "এই দাদা, চলে আয়, ম্যাসটার এয়েচে। বাবা ডাকচে।" তারপর বলছে, "কী রে একনো এলি না? বাবা দেবে এবার।

ঘটিকাহিনী (৭)

শনিবার কি রবিবার বাবা আর মা সেই হলগুলোতে নাইট শোতে সিনেমা দেখতে যেত। আমাকে রেখে যেত আমার মাসি শোভার কাছে।... আমরা গান শুনতাম।

ঘটিকাহিনী (৬)

মাধু ছিল আমাদের গলিতেই শেষের দিকে একটা ফ্ল্যাটবাড়িতে থাকা আমার দুই বন্ধু বাবু আর বুড়োর ছোট বোন।

কবি উৎপলকুমার বসুর ঢাকা সফর (২)

নজরুলের কবিতার ফর্ম ওনার ভাল লাগে নাই। উনি কইলেন, নজরুলের কবিতায় বেশি অ্যাম্বিশাস কথাবার্তায় ঠাসা, এটা ভাল লাগে না আমার।

ঘটিকাহিনী (৫)

এদিকে বাবা হাত ধরে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দিল ছ বছর বয়েসেই গোয়াবাগান পার্কে আর এস এসের শাখায়। বাবার মানসচক্ষে আমি হিন্দুরাষ্ট্রের নতুন এক কর্ণধার।

ঘটিকাহিনী (৪)

এলোমেলো করে ছড়ানো রয়েছে চতুর্দিকে। দেখে একটু আশ্চর্য লেগেছিল। এই দাদু আর দিদার বাড়ি এত খেলনা কেন? বোধহয় মাকে জিগ্যেসও করেছিলাম দু একবার। উত্তর পাই নি।

ঘটিকাহিনী (৩)

ক্লাস থ্রি পর্যন্ত খুব চুপচাপ, লাজুক আর ভালোমানুষ আমি, পার্থ, ক্লাস ফোরে কী করে যেন একটা রাফ মত, লিডার মত হয়ে গেলাম। মানে, ক্লাস ফোরের ছেলে যতটা রাফ হতে পারে আর কি।

ঘটিকাহিনী (২)

ইংলিশ মাধ্যমে না পড়লে, এবং সঙ্গে সঙ্গে হিন্দি না শিখলে পশ্চিমবাংলায় আমাদের ছেলেমেয়েদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। এসব নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকার ত্যাগ ও আদর্শের আর কোনো দাম কলকাতা, পশ্চিম বাংলা দেবে না।

কবি উৎপলকুমার বসুর ঢাকা সফর

আমরা হা হা করিয়া হাসতেছিলাম। উৎপলও হাসতেছিলেন। উৎপল একটানা হাসাইতে পারেন। পরের আড্ডাগুলায় টের পাইছিলাম।

ঘটিকাহিনী (১)

তপনবাবুর নামের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে এ-লেখার নাম দিয়ে ফেললাম ঘটিকাহিনী। কারণ, আমরা সবাই ঘটি।