স্মৃতিকথা

ঘটিকাহিনী (৫)

by

এদিকে বাবা হাত ধরে নিয়ে গিয়ে ভর্তি করে দিল ছ বছর বয়েসেই গোয়াবাগান পার্কে আর এস এসের শাখায়। বাবার মানসচক্ষে আমি হিন্দুরাষ্ট্রের নতুন এক কর্ণধার।

ঘটিকাহিনী (৪)

by

এলোমেলো করে ছড়ানো রয়েছে চতুর্দিকে। দেখে একটু আশ্চর্য লেগেছিল। এই দাদু আর দিদার বাড়ি এত খেলনা কেন? বোধহয় মাকে জিগ্যেসও করেছিলাম দু একবার। উত্তর পাই নি।

ঘটিকাহিনী (৩)

by

ক্লাস থ্রি পর্যন্ত খুব চুপচাপ, লাজুক আর ভালোমানুষ আমি, পার্থ, ক্লাস ফোরে কী করে যেন একটা রাফ মত, লিডার মত হয়ে গেলাম। মানে, ক্লাস ফোরের ছেলে যতটা রাফ হতে পারে আর কি।

ঘটিকাহিনী (২)

by

ইংলিশ মাধ্যমে না পড়লে, এবং সঙ্গে সঙ্গে হিন্দি না শিখলে পশ্চিমবাংলায় আমাদের ছেলেমেয়েদের কোনো ভবিষ্যৎ নেই। এসব নিবেদিতপ্রাণ শিক্ষিকার ত্যাগ ও আদর্শের আর কোনো দাম কলকাতা, পশ্চিম বাংলা দেবে না।

নব্বইয়ের দশক (৪)

by

পরের দিন বিকালের সেশনে গল্পপাঠের আসর বসলো সেই অডিটোরিয়ামে। আসরার মাসুদই শুরু করলো। গল্পের নাম ‘সাইলেসিয়া’।

নব্বইয়ের দশক (৩)

by

এই স্কলারদের মধ্যে ছয় মাস যে কী তামাশায় কেটেছে, বললে কৌতুকবাজরাও নিজেদের সৃষ্টিশীলতার ওপর আস্থা হারিয়ে ফেলতে পারেন। এসব একটু পরে বলি।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের দিনগুলি (২)

by

এই লেখার সূত্রে কেন্দ্রের সঙ্গে যুক্ত কারো কারো হয়তো সে-সব দিনের কথা মনে পড়ে যাবে, তাঁরাও হয়তো কেউ কেউ মনে করিয়ে দেবেন অনেক কথা।

নব্বইয়ের দশক (২)

by

এরই মধ্যে বাংলা একাডেমী [তখন দীর্ঘ ই-কার] তরুণ লেখক প্রকল্পের বিজ্ঞাপন ছাপা হলো ইত্তেফাকে, সালাম সালেহ উদ্দীন আর আমি বিপুল উৎসাহ নিয়ে সেখানে গেলাম…